

নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেছেন, আপনারা সবাই আমাদের চোখে সমান। দুর্বল ও সবল বলে আমাদের চোখে কিছু নেই। আমাদের কাছে সব প্রার্থী এক সমান। নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে নির্বাচিত হয়ে গেলেও এটা প্রমাণিত হলে সেই পদ বাতিল করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে।
তিনি বলেন, আমরা একটি গণতান্ত্রিক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। প্রয়োজনে সব আইন প্রয়োগ করব। যিনি নির্বাচন করবেন, তিনি যেন সবার প্রতি সহনশীল আচরণ করেন। আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করব না।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আড়াইহাজার উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীকে নিয়ে প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন তিনি।
রায়হান কবির বলেন, প্রার্থী একা অথবা নির্বাচনী এজেন্ট নিয়ে ঢুকবেন। এখানে প্রচারণা বা ভোট চাইতে পারবেন না। আপনি ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের আপত্তি ও অভিযোগ থাকলে আপনারা জানাবেন। নিজেরা এগুলো সমাধান করতে যাবেন না। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। আপনারা অভিযোগ দেবেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, আপনাদের অভিযোগ থাকলে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। তার পক্ষে সম্ভব হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনাদের প্রতিটি আসনে একজন করে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্য যিনি একজন বিচারক, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ জানাতে। যদি কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তাদের বিরুদ্ধে আপনারা লিখিত অভিযোগ করবেন।
সভায় নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রচারণা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং আচরণবিধি প্রতিপালন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আসাদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোস্তাফিজুর রহমান ইমনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- আড়াইহাজারের আর্মি ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল যুবায়ের আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) তাসমিন আক্তার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, আনসার ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট কানিজ ফারজানা শান্তা।
সভায় বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ, স্বতন্ত্র আতাউর রহমান আঙ্গুর ও জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লাসহ সাত প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন