চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২৩, ০৮:৩৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ
মিধিলির প্রভাবে বীজতলাডুবি

বাড়ির উঠানেই ধান চাষ

নোয়াখালীর চাটখিলে বীজতলা ডুবে যাওয়ায় বাড়ির উঠানে বোরো ধানের বীজ বপন করেছেন কৃষক রুবেল। ছবি : কালবেলা
নোয়াখালীর চাটখিলে বীজতলা ডুবে যাওয়ায় বাড়ির উঠানে বোরো ধানের বীজ বপন করেছেন কৃষক রুবেল। ছবি : কালবেলা

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় বীজতলা ডুবে যাওয়ায় বাড়ির উঠানে বোরো ধানের বীজ বপন করেছেন এক কৃষক। তিনি উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের বাসিন্দা এবং একই ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ড নির্বাচিত সদস্য।

চলতি অগ্রহায়ণ বোরো ধানের বীজতলা তৈরির উপযুক্ত সময়। গত ১৭ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ৬০ থেকে ২৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। অসময়ের এ বৃষ্টিতে ভেসে গেছে এলাকার বেশিরভাগ ধানের বীজতলা। আগে থেকে জাগ দিয়ে রাখা ধানের বীজ অঙ্কুরিত হয়ে যাওয়ায় সেই বীজ অনেকেই গরুকে খাবার হিসেবেই খাইয়েছেন। অন্যদের পথে না হেঁটে বিকল্প চিন্তা থেকে নিজের উঠানে সেই বীজ বপন করলেন ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমান রুবেল।

মাহবুবুর রহমান রুবেল কালবেলাকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় আসার আগেই আমি বীজ তেরি করেছিলাম। কিন্তু মিধিলির সঙ্গে আকষ্মিক বৃষ্টিতে সব বীজতলা ডুবে যায়। নিরুপায় হয়েই উঠানে এ বীজগুলো বপন করেছি। তা না হলে বীজগুলো নষ্ট হয়ে যেত। তাই এ সমাধান বেছে নিয়েছি।’

রুবেলের এ বিচিত্র কাজ দেখে স্থানীয় অনেকেই তার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন। এ অভিনব সমাধানকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন সবাই।

চাটখিল উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জুনাইদ আলম কালবেলাকে বলেন, ‘বীজ বপন করার আগে ৬০ থেকে ৭০ ঘণ্টা জাগ দিয়ে রাখতে হয়। ওনি ঘূর্ণিঝড় আসার আগেই বীজগুলো জাগ দিয়ে ফেলেছিলেন। অঙ্কুর গজানো ধানগুলো রোপণ না করা গেলে নষ্ট হয়ে যেত। অঙ্কুরিত বীজ বপনের আগেই বীজতলা ডুবে যাওয়ায় সেগুলো তিনি বাড়ির উঠানে বপন করেছেন। এ জন্য তাকে বাহবা দেওয়া দরকার।’

কালবেলা/এসওআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ২

চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

প্রিয় দলকে জেতাতেই হবে / ফাইনালের আগে সমর্থকদের ঘরে ঘরে কুসংস্কার

আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে স্পেন কোচের ‘একমাত্র ভয়’ কী নিয়ে

ডুবে মারা গেলেন রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি

পাকিস্তানে ফের বাড়লো জ্বালানির দাম

হাতের টানেই গুঁড়ো হচ্ছে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের ঢালাই, প্রতিবাদ করায় হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণ নিয়ে নতুন সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

বহু বছর ধরে অচল থাকা ইরাক-সিরিয়া তেল পাইপলাইন সচলে সমঝোতা

ডেমরার পুলিশ লাইনে পুলিশ সদস্যের ‘আত্মহত্যা’, থানায় মামলা

১০

বন্যার সময় আসতে না পারায় এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১

ফাইনালে ইয়ামালকে নিয়ে বিশেষ ছক কষেছেন মেসি

১২

চাকরিজীবীদের জন্য এক মাসে দুই দফায় ছুটি নিয়ে সুখবর

১৩

প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক যুবদল নেতার খোলা চিঠি

১৪

সাতসকালে ইরানের ১০ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করল জর্ডান

১৫

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ / ইন্টারপোলের ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৈয়দ

১৬

পছন্দ না হলেই ফ্যাসিস্ট বানিয়ে দেন: অভিযোগ পুলিশ সুপারের

১৭

ভুলে ‘জয় বাংলা’ বলায় দুঃখ প্রকাশ এনসিপি নেতার

১৮

ইরানের লারাক দ্বীপে নৌ-নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

১৯

জর্ডানে বিকট বিস্ফোরণ, শোনা গেল ফিলিস্তিন থেকে

২০
X