ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলছে। আজ রোববার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ছয়জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ. কে. একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহগীর আলমের সভাপতিত্বে এ বাছাই কার্যক্রমে বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।
সৈয়দ এ. কে. একরামুজ্জামান দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় গত ২৮ নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পদসহ দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে একরামুজ্জামানকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।
মনোয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সৈয়দ এ. কে. একরামুজ্জামান বলেন, 'নাসিরনগরের মানুষ পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তন এবং এলাকার উন্নয়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন- আমি তাই করব। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।'
এদিকে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে আওয়ামী লীগের নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী এ টি এম মনিরুজ্জামান সরকার ও রোমা আক্তার, ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ বকুল হুসেন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের আওয়ামী লীগের নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহিরুল হক চৌধুরি ও মো. কাজী জাহাঙ্গীর। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা মো. শাহগীর আলম জানান, যাদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনে ৫ থেকে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
দ্বিতীয় দফায় দুপুরের পর বাকি তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে।
মন্তব্য করুন