রাবিদ চঞ্চল
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৪, ০৬:৩৭ পিএম
আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৪, ০৭:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আশাশুনিতে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব, আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আশাশুনি সাতক্ষীরা। ছবি : কালবেলা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আশাশুনি সাতক্ষীরা। ছবি : কালবেলা

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে জেঁকে বসেছে শীত। শীতের প্রাদুর্ভাব বাড়ার সাথে সাথে দেখা দিয়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ। বেশিরভাগ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। ঘনকুয়াশা আর শীতের প্রচণ্ড তীব্রতার কাছে সবাই যেন পরাস্ত। সকাল ১০-১১টা পর্যন্ত দেখা মিলছে না সূর্যের। দুপুরের দিকে কিছুটা দেখা গেলেও বিকেল হওয়ার আগেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে সূর্যের তাপমাত্রা।

এদিকে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ফলে দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হাপানি, সর্দি-কাশি, এলার্জি, টনসিল ও চর্মরোগসহ ঠান্ডাজনিত রোগের প্রার্দুভাব। যার বেশিরভাগ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। তবে বয়স্ক ব্যক্তিদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা নিতান্তই কম নয়। শিশুদের মতো বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হাপানি, সর্দি-কাশি, এলার্জি, টনসিলের প্রদাহে ভুগছেন বলেও চিকিৎসক সূত্রে জানা গেছে। ঠান্ডায় গরম কাপড় পরে শরীর গরম হওয়ার কারণে অনেক রোগী আসছেন কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের চিকিৎসা নিতে। স্থানীয় ডাক্তাররা জানান, শীত ও ঘনকুয়াশার কারণে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এ ধরনের সমস্যায় বেশিরভাগ আক্রান্ত হয় শিশুরা। ঠান্ডাজনিত সমস্যা থেকে শিশুদের সুরক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে খালি পায়ে না হাঁটা, বাইরে কম বের হওয়া, ঠান্ডা বাতাস না লাগানো, মোটরসাইকেল জাতীয় যানবাহন না চড়া, প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত কাপড় ব্যবহার না করা, বিশুদ্ধ হালকা উষ্ণ গরম পানি খাওয়া, গোসল করা, গরম কাপড় ব্যবহার করাসহ অপুষ্টিজনিত শিশুদের তাপযুক্ত স্থানে রাখার জন্য পরামর্শ দেন তারা।

এবিষয়ে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মিজানুল হক জানান- ঠান্ডাজনিত রোগের মাত্রা আবহাওয়ার কারণে বেড়েছে। বহিঃবিভাগে প্রতিদিন ঠান্ডাজনিত শিশু রোগী চিকিৎসা নিতে আসছে। আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি। সাধারণত এসময়মে শিশুদের সাবধানে রাখার জন্য অবিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানা নিয়ে ডা. মিজান আরও বলেন- ঠান্ডার কারণে শিশুদের শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বাড়িতে বসে থাকবেন না, যতদ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে আসবেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডাবের পানি খাইয়ে প্রতারণা, চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

চায়না মেরিটাইম ফোরামে বাংলাদেশের সামুদ্রিক মানবসম্পদ উন্নয়নের অগ্রগতি

‘ফার্মের মুরগি’ প্রসঙ্গে কী বলেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী?

এলডিসি উত্তরণে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি জোরদারের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

সিলেটে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গু, শনাক্ত ৭৯

বিশ্বে ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে ৫৩তম বাংলাদেশ, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালি রক্ষায় শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের

অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিতে গিয়ে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪

দাঁড়াতে পারছে না হাতি ‘রাজু বাহাদুর’, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান মালিক

ঢাবি লোক প্রশাসন অ্যালামনাইয়ের কৌশলগত কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১০

ব্র্যাক ব্যাংক এখন দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রেমিট্যান্স ব্যাংক

১১

সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান অংশীজনদের

১২

পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

১৩

বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন

১৪

উপসাগরীয় দেশগুলোর আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে সতর্কতা জারি

১৫

বাংলাদেশের পর্যটনের ভবিষ্যৎ ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ড্যাফোডিলে জাতীয় সংলাপ

১৬

বৃষ্টি যখন পূর্বানুমিত, পরীক্ষা কেন নয়?

১৭

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশ / ১৫ ঘণ্টার মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া উচ্ছেদ করল প্রশাসন

১৮

শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বাস চালু করল পবিপ্রবি

১৯

'আমাদের শিল্পীরা কি মারা গেছে?'— বললেন মাহিয়া মাহি

২০
X