টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:৩০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সকালেই বদলে গেল নাফ নদীর সীমান্ত পরিস্থিতি, সতর্ক বিজিবি

টেকনাফের নাফ নদীসংলগ্ন এলাকায় সতর্ক বিজিবি। ছবি : কালবেলা
টেকনাফের নাফ নদীসংলগ্ন এলাকায় সতর্ক বিজিবি। ছবি : কালবেলা

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীর পূর্ব ও দক্ষিণাংশের এলাকা আজ শনিবারও (১৭ ফেব্রুয়ারি) গুলি ও বোমার শব্দে কাঁপছে। সীমান্তের ওপার থেকে ভারী অস্ত্রের গুলির শব্দে বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ব্যাপক গোলাগুলির পর রাতভর শান্ত ছিল। এতে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও সকালেই পরিস্থিতি বদলে যায়।

টেকনাফের দক্ষিণাংশের সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপ এলাকার বাসিন্দারা বলেন, শুক্রবার রাতে তেমন কোনো গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়নি। তবে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার পর থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত থেমে থেমে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে গোলাগুলির আওয়াজ শুনতে পান তারা। বিকট শব্দে মাঝেমধ্যে মাটি কেঁপে উঠেছে।

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুস সালাম বলেন, নাফ নদীর পূর্ব ও দক্ষিণাংশে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। যেসব স্থান থেকে গোলাগুলির আওয়াজ আসছে, সেখানে রাখাইন রাজ্যের মংডুর শহরের আশপাশের মেগিচং, কাদিরবিল, নুরুল্লাহপাড়া, মাংগালা, নল বন্ন্যা, ফাদংচা ও হাসুরাতা এলাকা অবস্থিত। এসব এলাকায় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) কয়েকটি নিরাপত্তাচৌকি রয়েছে।

ইউপি সদস্য আবদুস সালাম আরও বলেন, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত মিয়ানমারের মংডু শহরের আশপাশের প্রচুর গোলাগুলি শব্দ শোনা যায়। তবে রাতভর কোনো ধরনের শব্দ শোনা যায়নি। আজ শনিবার সকাল থেকে কিছুক্ষণ পরপর বিকট শব্দে মাটি কেঁপে ওঠে। সেই সঙ্গে গোলাগুলির শব্দ কানে ভেসে আসে। এ জন্য স্থানীয় লোকজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, হঠাৎ টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় বিকট শব্দ ও গোলাগুলি খবর পেয়েছেন তারা। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে দুটি গ্রুপের মধ্যে থেমে থেমে কয়েক দিন ধরে টেকনাফ সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাচ্ছেন সীমান্তে থাকা বিজিবির সদস্যরা। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। মিয়ানমারের সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের টহল বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে বসবাসরত মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নাসুমের দরকার আর ১ উইকেট

নাটোর-পাবনায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭২

তাপমাত্রা নিয়ে নতুন বার্তা আবহাওয়া অফিসের

খেলাপি ঋণ সংকট কাটিয়ে উঠতে ১০ বছর লাগবে : গভর্নর

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কলাবাগানে দোয়া মাহফিল

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

‘হাসিনার ফাঁসি দেখা পর্যন্ত আল্লাহ যেন খালেদা জিয়াকে বাঁচিয়ে রাখেন’

ইন্টারপোল সম্মেলন শেষে দেশে ফিরলেন আইজিপি

এশিয়া কাপের আলোচিত ক্রিকেটারকে দলে ভেড়াল রাজশাহী

সেন্টমার্টিনে রাতে থাকার সুযোগ, মানতে হবে যেসব শর্ত

১০

ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৮

১১

দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

১২

নামাজরত ব্যক্তির কতটুকু সামনে দিয়ে হাঁটা যাবে?

১৩

এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে এনআরবিসি ব‍্যাংক

১৪

বরিশাল ছাড়ল স্টিমার ‘পিএস মাহসুদ’

১৫

এয়ারবাসে বড় ত্রুটি, বিঘ্নিত হতে পারে হাজার হাজার ফ্লাইট

১৬

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় রুয়েটে দোয়া মাহফিল

১৭

বিপিএলের নিলাম থেকে বাদ পড়ে যা বললেন বিজয়

১৮

ইউনিচার্ম আনল সোফি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ন্যাপকিন

১৯

রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নার্সদের

২০
X