কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৩, ০৩:০৪ পিএম
আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৩, ০৪:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আপিল বিভাগের মন্তব্য

হাজার টাকার ঋণে কৃষকের মাজায় দড়ি, বড় ঋণ পরিশোধ ঠেকাতে আইনজীবী

হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকার ঋণ আদায়ের জন্য কৃষকের মাজায় (কোমর) দড়ি বেঁধে আনা হয়। আর শত শত কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ আটকে রাখতে বড় বড় আইনজীবী নিয়োগ করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (৩১ জুলাই) ‘মো. মাসুদুর রহমান বনাম অর্থঋণ আদালত এবং অন্যান্য’ শিরোনামে এক লিভ টু আপিলের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ মন্তব্য করেন।

শুনানিকালে লিভ টু আপিলকারীর আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত এ মন্তব্য করেন। শুনানি নিয়ে লিভ টু আপিলটি খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আইনজীবীর তথ্যমতে, ১৯৯৬-৯৭ সালে ফজলুর রহমান অ্যান্ড কোং সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল লোকাল অফিস থেকে ৩২ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ২০১৭ সালে ফজলুর রহমান মারা গেলে ওই ঋণ আদায়ে ২০১৭ সালে অর্থঋণ আদালতে ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করে সোনালী ব্যাংক। এ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে ১০২ কোটি টাকা ডিক্রি পায় সোনালী ব্যাংক।

পরে ব্যাংকের করা জারি মোকদ্দমায় ফজলুর রহমানের সন্তানদের ছয় মাসের সিভিল জেল হয়। তখন ব্যাংকের পাওনার দাবির পরিমাণ ছিল ১১৫ কোটি টাকা।

সিভিল জেলের আদেশের বৈধতা নিয়ে তারা হাইকোর্টে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল দিয়ে সিভিল জেলের আদেশ স্থগিত করেন। পরে রুল শুনানির জন্য উঠলে হাইকোর্ট গত ২২ মে ফজলুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের সহায়-সম্পত্তির বিবরণ দাখিলসহ নির্দেশনা দেন।

সহায়-সম্পত্তির বিবরণ দাখিলসহ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন ফজলুর রহমানের ছেলে মাসুদুর রহমান।

আদালতে লিভ টু আপিলকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোকছেদুল ইসলাম। সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামীম খালেদ আহমেদ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রতিটি মুসলিম যেন এই অনুভূতি পায় : মারিয়া মিম

রমজানে বিনামূল্যে ইফতার পাবেন ১২ লাখ মানুষ

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি, কারাগারে জেষ্ঠ্য সহকারী সচিব

বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকে শোকজ

ইরানে মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে একজনের মৃত্যদণ্ড কার্যকর

সাত সাগর আর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে মুখোমুখি জায়েদ-তানিয়া

দেশে ফিরতে চান সালাউদ্দিন

ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন হাবিব ওয়াহিদ

সবচেয়ে দুর্বল লিগের তকমা পেল বিপিএল

অতীতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন রাভিনা

১০

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে : প্রধান উপদেষ্টা

১১

১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের ভূমিধস বিজয় হবে : সালাহউদ্দিন আহমদ 

১২

২৫ বছরের কৃষি পরিকল্পনা ঠিক করেছে সরকার

১৩

ট্রাম্পের সমালোচনা করতে গিয়ে হামলার শিকার কংগ্রেসের মুসলিম নারী সদস্য

১৪

ঘুমের মধ্যে পায়ের রগে টান লাগলে যে দোয়া পড়বেন

১৫

অস্ত্রোপচারের পর রোগীর মৃত্যু

১৬

৪ বছর পর চেয়ারম্যান হিসেবে ফিরলেন জামায়াত নেতা

১৭

অরিজিতের প্লেব্যাক ছাড়ার সিদ্ধান্তে অবাক উদিত নারায়ণ

১৮

এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার আনিস আলমগীর

১৯

হাওরে পাখি শিকারের সময় আটক ৩

২০
X