বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩৩ পিএম
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৪৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

স্থগিত হয়নি প্রাথমিকের নিয়োগ বাতিলের রায়

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ ছয় হাজার ৫৩১ প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেননি চেম্বার আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে আগামী ২ মার্চ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

আদালতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ। রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া।

পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সব বিচারপতি মামলাটি শুনবেন। তাই ২ মার্চ দিন ঠিক করেছেন।

এর আগে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ ছয় হাজার ৫৩১ প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচাপতি মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে আদালত এ রায় দেন। একই সঙ্গে আদালত মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। পরে এই রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

গত ১৯ নভেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগপত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে তাদের নিয়োগ দেওয়ায় আদালত এ আদেশ দেন। পাশাপাশি রুল জারি করেন আদালত।

গত ৩১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

গত ২৮ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। এরপর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত হাইকোর্ট যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন, আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে মৌখিক পরীক্ষা নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে এই নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গণমাধ্যমে আসা অভিযোগ অনুসন্ধান করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ছাত্রদলের ১৫ নেতাকে অব্যাহতি

স্টার নিউজের আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু

সিলেটে লাল-সবুজের বাসে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেবেন তারেক রহমান

ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের নতুন কমিটি ঘোষণা

আমি কোনো সাংবাদিককে থ্রেট দিতে চাই না : রাশেদ খান

ভোটারদের ‘ব্রেইন হ্যাক’ করার ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজি

ইতালিতে ইসলামের পরিচিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির লক্ষ্যে ‘ওপেন ডে’ পালন

কত আসনে নির্বাচন করবে জানাল ইসলামী আন্দোলন

তারেক রহমানের সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি বিএনপির

শ্রীলঙ্কাকে বিধ্বস্ত করল বাংলাদেশ

১০

নির্বাচিত সরকারই স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : রবিউল

১১

প্রতারক শামীম ওসমান গ্রেপ্তার

১২

রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনালে চট্টগ্রাম

১৩

তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় দেশের মানুষ : সালাউদ্দিন বাবু

১৪

সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

১৫

স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ, বুধবার থেকে কার্যকর

১৬

বাংলাদেশের পরিবর্তনে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোটে সিল মারতে হবে : নৌপরিবহন উপদেষ্টা

১৭

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় পাবিপ্রবি পেল ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা

১৮

বিশ্বকাপের আগে ‘মিনি হসপিটাল’ দক্ষিণ আফ্রিকা

১৯

বিশ্বকাপে কঠিন হলো বাংলাদেশের পথ

২০
X