কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৫, ১১:৫৮ এএম
আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৫, ১২:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘যে কোনো সময় ফাঁসির আদেশ এলে অবাক হবো না’

ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিম। ছবি : কালবেলা
ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিম। ছবি : কালবেলা

ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলাইমান সেলিমকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকেন্দ্রিক লালবাগ থানার আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বুধবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৮ মিনিটের দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে সোলাইমান সেলিমসহ বিভিন্ন এমপি-মন্ত্রীকে হাতে হাতকড়া, গায়ে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও মাথায় হেলমেট পরিয়ে হাজির করা হয়। এরপর সবাইকে কাঠগড়ায় রাখা হয়। অন্যান্য দিনের মতো কাঠগড়ার পাশে পুলিশ সারি করে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে দাঁড়ান। প্রত্যেক আসামির আইনজীবীরাও কাছে চলে আসেন। এ সময় আসামিরা ওকালত নামায় স্বাক্ষরসহ তার আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন।

সোলাইমান সেলিম এক আইনজীবীকে ডেকে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে থাকেন। কথা বলার সময় আইনজীবী সোলাইমান সেলিমের কাছে কারাগারে কেমন জীবন কাটাচ্ছেন জানতে চান। এ সময় সোলাইমান সেলিম বলেন,

‘রোজা আছি। বই পড়ি। পরিবারের সাথে ফোনে কথা বলা যায়। সেহরি ও ইফতারে খাবার নরমাল দেয়। দেখছেন না সবার মুখ কেমন শুকনো।’

কিছুক্ষণ পরই এজলাসে বিচারক আসেন। তবুও কর্ণপাত করেন না সোলাইমান সেলিম। সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে সোলাইমান সেলিম বলেন,

‘অনেক সাংবাদিক ভুয়া নিউজ করে। তারা লিখেছে শাজাহান খানসহ অনেকে নাকি কারাগারে ভালো খাবার খাচ্ছে। এসব ভুয়া নিউজ করে আমাদের ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে।’

এ সময় কাঠগড়ার পাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে বারণ করেন। তখন সোলাইমান সেলিম পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন,

‘জবাই তো দিবেন। একটু সময় দেন।’

এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করে সোলাইমান সেলিম আইনজীবীকে বলেন,

‘যে কোনো সময় ফাঁসির আদেশ আসতে পারে। এতে আমি অবাক হবো না। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি যেভাবে ভাঙা হয়েছে। বুঝা শেষ।’

পরবর্তীতে শুনানি শেষে সোলাইমান সেলিমকে হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় সে তার আরেক আইনজীবীকে ডেকে বাবার খোঁজ নেন। তার বাবার শরীর খারাপ। কি অবস্থা খোঁজখবর নিতে বলেন। এরপর হাজতখানায় নিয়ে যাবার সময় সোলাইমান সেলিমকে তার বক্তব্য ‘যে কোনো সময় ফাঁসির আদেশ’-এর বিষয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘তড়িঘড়ি করে বিচার হয় না।’ এরপর তাকে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নওগাঁয় বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার

নির্বাচনী তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণের দায়িত্বে ইসির ১০ কর্মকর্তা

শেখ হাসিনা ও তার বাবা এদেশে গণতন্ত্র হত্যা করেছে : সালাহউদ্দিন আহমদ

২ কোটি লিটারের বেশি সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন

মুস্তাফিজ কী ক্ষতিপূরণ পাবেন, যা বলছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ

ঢাকা-১৭ আসনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

হাড়কাঁপানো শীতে সুইমিংপুলে সাদিয়ার জলকেলি

এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে স্কুলে তালা

জকসু নির্বাচন : দুপুর থেকে বেড়েছে ভোটার উপস্থিতি

জকসু নির্বাচন / ভোটাররা ৩টার পর ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না

১০

বিয়ের মঞ্চেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ 

১১

তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে স্বাগত জানাল আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম

১২

বাংলাদেশিদের নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট, যুক্তরাষ্ট্রে আতঙ্ক

১৩

মাছ শূন্য হওয়ার শঙ্কায় বঙ্গোপসাগর, প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন

১৪

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে পেশিশক্তি প্রদর্শনের অভিযোগ ছাত্রশক্তি সমর্থিত প্যানেলের ‎ ‎

১৫

নির্বাচনে লড়বেন যে ৩১ ঋণখেলাপি

১৬

কারসাজি করে এলপি গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে : জ্বালানি উপদেষ্টা

১৭

শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তার পর পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ ‎ ‎

১৮

ভোট সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জবি শিক্ষক সমিতির

১৯

ইউল্যাব ও মেডিক্সের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

২০
X