বরিশাল ব্যুরো
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:৫৫ পিএম
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৯:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এমটিএফইর ৬ সিইওর নামে বরিশালে মামলা

এমটিএফই’র লোগো। ছবি : সংগৃহীত
এমটিএফই’র লোগো। ছবি : সংগৃহীত

মেটা ভার্স ফরেন একচেঞ্জ গ্রুপের (এমটিএফই) নামধারী ছয় সিইওসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে ওই মামলা করেছেন মো. ইউসুফ আলী নামে ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম ফারুক মামলা গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী মো. নুরুল ইসলাম কাকন। মামলার বাদী মো. ইউসুফ আলী বরিশাল নগরের ব্রাউন্ড কম্পাউন্ড রোডের বাসিন্দা মো. হামিদ গাজীর ছেলে।

আসামিরা হলো নগরীর বান্দ রোড নুরজাহান মঞ্জিলের বাসিন্দা মিজানুর রহমান (৪৮), তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন (৩৮), সিএন্ডবি রোডের বাসিন্দা সালাম সরদারের ছেলে নোমান আহম্মেদ সরদার (৩০), বিএম কলেজ গেট এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন সরদারের ছেলে মিলন হোসেন বাদশা (৪৮), তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম (৪০) ও তার ছেলে অলিউল ইসলাম।

বেঞ্চ সহকারী নুরুল ইসলাম কাকন বলেন, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ছদ্মবেশ ধারণ করে ইলেকট্রনিক্স প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিরা মাফিয়াসহ জাল-জালিয়াতি চক্রের সদস্য। তারা এমএলএমের আদলে ই-লেনদেনের মাধ্যমে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেন। মামলার বাদীসহ ১০ সাক্ষীর সাথে পূর্বপরিচিত হওয়ায় তাদের বরিশাল নগরের বিভিন্ন নামিদামি হোটেলে নিয়ে ই-লেনদেনের মাধ্যমে ব্যবসা করে লোভনীয় ও আকর্ষণীয় লাভ করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেন। আসামিদের প্রলোভনে সাড়া দিয়ে মিজানুর রহমান বাচ্চু ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের প্রমো কোডের মাধ্যমে বাদীসহ ১০ জন সাক্ষীর নামে অ্যাকাউন্ট খোলেন। আসামিরা নিজেদের অর্থায়নে কিছু ডলার জমা করে প্রলুদ্ধ করেন। প্রলোভনের ফাঁদে সাড়া দিলে বাদীসহ ১১ জন গত ১ মে থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময় সাড়ে ৫ লাখ টাকা জমা দেন।

গত ১২ আগস্ট বাদীসহ ১১ জন আসামিদের কাছে গিয়ে টাকা উত্তোলনের জন্য নগরের সিএন্ডবি রোড ফারজানা কমিউনিটি সেন্টারে নোমান আহম্মেদের সেবা অনলাইনের অফিসে যায়। সেখানে যাওয়ার পর নামধারী ছয় আসামিরা জানিয়েছেন, সফটওয়ার আপডেটের কারণে ডলার ওঠানো সম্ভব হচ্ছে না। আগামী সপ্তাহে লভ্যাংশসহ উত্তোলন করা যাবে। গত ১৮ আগস্ট রাতের মধ্যে বাদীসহ ১১ জনের সব তথ্যে ইলেকট্রনিক্স মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলে।

পর দিন ১৯ আগস্ট সেবা অনলাইনের অফিসে গেলে আসামিরা জানিয়েছেন, সব টাকা উত্তোলন করে নোমান এমটিএফইর প্রধান সিইও মাসুদের কাছে দুবাই চলে গেছেন। তিনি ফিরে এলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। গত ২০ আগস্ট নোমানকে পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে তিনি জানান, টাকা বিদেশিরা নিয়ে গেছে। পরে আসামিরা টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে।

মামলায় বাদী আরও উল্লেখ করেছেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে প্রতারণার উদ্দেশ্যে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে নগদ টাকা নিয়ে ডলারে রূপান্তর দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ব্রাজিল

৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরলেন নেইমার

টানা ৩ ম্যাচে গোল ভিনির, ইতিহাস বলছে এবারের বিশ্বকাপ ব্রাজিলের

জোড়া গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

৫২ বছরের অপেক্ষার অবসান, মরক্কোর জালে হাইতির গোল

বন্য শিয়াল শিকার করে অনলাইনে মাংস বিক্রি

লাইনচ্যুত তিন বগি রেখে চট্টগ্রামের পথে বিজয় এক্সপ্রেস

ভিনিসিয়াসের গোলে এগিয়ে গেল ব্রাজিল

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে সুইজারল্যান্ড

বিশ্বকাপের মাঝেই ৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ হলেন কাতারের তারকা মিডফিল্ডার

১০

হেরেও দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠল কানাডা

১১

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একাদশ ঘোষণা ব্রাজিলের

১২

ছেলে নেইমারকে নিয়ে বাবার বার্তা

১৩

সিলেট সীমান্তে বাংলাদেশির মৃত্যু

১৪

৩৪৯ জনকে আসামি করে মামলা, পুরুষশূন্য তিন গ্রাম

১৫

চশমা সাইদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

১৬

তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ শুরু

১৭

মানহানি মামলা করলেন এনসিপি নেত্রী

১৮

ময়মনসিংহে ট্রেনের তিন বগি লাইনচ্যুত

১৯

ইতালির ১৫টি শহরে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

২০
X