কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৪, ০৫:০৪ পিএম
আপডেট : ২৯ জুন ২০২৪, ০৫:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আজ বিশ্ব ছবি তোলার দিন

বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস। ছবি : সংগৃহীত
বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব ক্যামেরা দিবস আজ (২৯ জুন)। অবশ্য কবে কীভাবে এই দিবসের চল হয়েছে, সঠিকভাবে তা জানা যায় না। তবে দিনটি কিন্তু পালন করতে পারেন। ক্যামেরা কিংবা হাতের মুঠোফোনটি নিয়ে ছবি তুলতে বেরিয়ে পড়তে পারেন। কিংবা শিখে নিতে পারেন ফটোগ্রাফির দুর্দান্ত কিছু কৌশল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন আপনার প্রিয় ক্যামেরা কিংবা প্রথম ক্যামেরার গল্প।

অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ-ত্রিকাল সংযোজনের অনন্য এক সাঁকো এই ক্যামেরা বা আলোকচিত্র। আর আলোকচিত্র মানেই যে যন্ত্রটির কারিগরি, সেটা হলো ক্যামেরা।

মধুর কিংবা বেদনার স্মৃতি ধরে রাখতে ক্যামেরার আদর্শ বিকল্প নেই। যন্ত্রটির রয়েছে বহমান সময়কে থামিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা। ক্যামেরায় ধরে রাখা স্মৃতিগুলোর বয়স বাড়ে না। কেবল স্মৃতি কিংবা সময় বেঁধে রাখাই নয়, শত-সহস্র প্রয়োজনে ক্যামেরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনিবার্য অনুষঙ্গ।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, ঘটনার সাক্ষী-প্রমাণ হিসেবে, বিভিন্ন তদন্তে-গবেষণায় ক্যামেরায় তুলে রাখা একটি ছবি খুলে দিতে পারে অনেক কিছুর জট। কে না জানে, একটি নির্বাক স্থিরচিত্র সহস্র সবাক বক্তব্যের চেয়েও শক্তিশালী। একটি ছবি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পৃথিবীর অগণন মানুষের কাছে কতটা প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকতে পারে ইতিহাসজুড়ে রয়েছে তার অসংখ্য নজির।

হাল আমলে ক্যামেরা মানুষের হাতে হাতে, পকেটে আবার মুঠোফোনে। এ পর্যায়ে আসতে বস্তুটিকে পাড়ি দিতে হয়েছে কত শত শতাব্দী, যুগ-যুগান্তর!

ক্যামেরার আদি ইতিহাস বলছে, ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চীনে প্রথম প্রচলন ঘটে ক্যামেরা অবস্কিউরার। ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দে আধুনিক যুগে প্রবেশ করে ক্যামেরা। এ বছর ক্যামেরা অবস্কিউরা ব্যবহার করে ফরাসি বিজ্ঞানী জোসেফ নিসেফোর নিপ্‌সে প্রথম ছবি সংরক্ষণের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। এরপর নানা বিবর্তনের পথ পেরিয়ে ক্যামেরা পেয়েছে বর্তমান রূপ। মাঝে স্থিরচিত্র থেকে চলচ্চিত্র হয়েছে, নির্বাক থেকে সবাক, সাদা-কালো থেকে রঙিন। একক ও পৃথক যন্ত্র থেকে মুঠোফোন কিংবা বিভিন্ন গ্যাজেটে সমন্বিত হয়েছে এখন। এসবের প্রতিটি ধাপেই আছে অনেক বিজ্ঞানীর স্পর্শ। এসব বিষয় থেকে স্পষ্ঠই বোঝা যায়। ফলে ক্যামেরা আবিষ্কারের একক কৃতিত্ব সংশয়াতীতভাবে কাউকে দেওয়া যায় না।

আবিষ্কারের পর থেকে এখন পর্যন্ত এই ক্যামেরার যত উন্নয়ন ঘটেছে, তত এটি মানুষের কাছাকাছি এসেছে। প্রচুর মানুষের পেশা ও নেশা এই ক্যামেরা। শুধু রুটিরুজি সংস্থানের উপলক্ষ হিসেবেই নয়, ক্যামেরা কিংবা আলোকচিত্র অনেকের কাছে শিল্পের এক মৌলিক ও বিশুদ্ধ ধারা। কেউ রংতুলি দিয়ে ক্যানভাসে ছবি আঁকেন, কেউ শব্দের গাঁথুনিতে লেখেন কবিতা-গান; তেমনই ক্যামেরার লেন্সে একজন দক্ষ আলোকচিত্রীর চোখ ফেলা মানেই যেন সেই ছবির কবিতা হয়ে ওঠার অবকাশ। এমন কত ‘ক্যামেরার কবি’ প্রতিদিন ঋদ্ধ করে চলেছেন আলোকচিত্রশিল্পকে!

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

আড়াই কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চীন

হাত দিয়েই ভাঙছে নদীর পাড় রক্ষা বাঁধের ব্লক

ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

২০ টাকার ঝালমুড়ি নিয়ে বিরোধ, যুবককে ছুরিকাঘাত

জুলাইয়েই মিলতে পারে পে-স্কেলের সম্পূর্ণ বেতন, গেজেট নিয়ে নতুন বার্তা

জুলাই শহীদ ছেলের অনুদানের টাকায় বাবার দ্বিতীয় বিয়ে, সমালোচনার ঝড়

প্রকৃতির অনিন্দ্যসুন্দর সৃষ্টি ‘জামুই’ প্রজাপতি

ব্রাজিল ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খেল জাপান

১০

স্কুল নেই, হাসপাতাল নেই, নেই যাতায়াতের রাস্তা

১১

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা সৌদি আরবের

১২

বাউফলে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটে জিম্মি রোগীরা

১৩

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল প্রস্তাবিত চুক্তি প্রত্যাখ্যান করল লেবানন

১৪

সহজে ডট বিডি-ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধনের সুযোগ

১৫

ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স / অ্যানেসথেসিওলজিস্ট না থাকায় ব্যাহত চিকিৎসাসেবা

১৬

বাহরাইনকে কঠোর সতর্কবার্তা দিল ইরান

১৭

এক কর্মকর্তার কাঁধে ৬৭ স্কুল

১৮

জেনে নিন আজ ঢাকায় কোথায় কী?

১৯

২৯ জুন / কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

২০
X