কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৫, ০৭:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খননের বিকল্প নেই : উপদেষ্টা রিজওয়ানা

মিরপুরের বাউনিয়া খাল খনন করা হচ্ছে। ছবি : কালবেলা
মিরপুরের বাউনিয়া খাল খনন করা হচ্ছে। ছবি : কালবেলা

ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খননের বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই ঢাকার ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আমাদের ঢাকার খালগুলোতে পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে হবে এবং এজন্য খাল খনন কার্যক্রম চলমান থাকবে। শহরের জীববৈচিত্র্য ঠিক রাখতে খালগুলোকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতেই হবে।

বুধবার (০৫ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরের বাউনিয়া ও উত্তরার খিদির খাল পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।

এসময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, স্থপতি ফজলে রেজা সুমন এবং খালের খনন ও পরিষ্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএনসিসির ছয়টি খাল খননের কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এবং আরও ১৩টিসহ মোট ১৯ খাল খননের কার্যক্রম এ বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।

উপদেষ্টা বলেন, দিন দিন ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ঢাকার খালগুলো খনন করে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উন্নত হবে। ঢাকার খালগুলো খননের পর খালের পাড়ে দৃষ্টিনন্দন ফুলের চারা এবং ফল ও পাখিদের খাওয়ার উপযোগী বৃক্ষরোপণ করা হবে।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান খাল খনন পরিদর্শনকালে বাউনিয়া খালের সাগুফতা ব্রিজের পাশে এবং উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন খিদির খালের পাড়ে দুটি গাছের চারা রোপণ করেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল উদ্ধার ও খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খালের খনন ও পরিষ্কার এবং অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা একসঙ্গে চলমান। খালের উন্নয়ন কার্যক্রম ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। পানিদূষণ রোধ করতে ভবনের পয়োঃবর্জ্যের সংযোগ বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুলশান, বনানী, বারিধারা সোসাইটির নেতৃবৃন্দের সাথে সভা করেছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিটি বাড়িতে পয়োঃবর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য ইটিপি স্থাপন করতে বলেছি।

পরিদর্শনকালে অন্যদের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এ বি এম সামসুল আলম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান।

ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি এলাকার মোট ১৯টি খাল সংস্কার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে ছয়টি খাল সংস্কারের মাধ্যমে কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকিগুলোর সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হবে। ছয়টি খালের মধ্যে রয়েছে ডিএনসিসি এলাকার চারটি খাল : বাউনিয়া, কড়াইল, রূপনগর ও বেগুনবাড়ি এবং ডিএসসিসি এলাকার দুটি খাল : মান্ডা ও কালুনগর। খাল সংস্কার কার্যক্রমের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ, খাল পরিষ্কার, পাড় সংরক্ষণসহ ব্লু নেটওয়ার্ক নির্মাণ করা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রতিদিন শরীরে কতটা প্রোটিন দরকার

নিখোঁজের ৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্কুলছাত্রের

পরিস্থিতি খুব খারাপ হতে পারে, কিউবাকে ট্রাম্প

গাড়ি থামিয়ে হামিমের সঙ্গে হাত মেলালেন তারেক রহমান

নির্বাচনে বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ

সহজ করে বুঝে নিন জেন-জির ভাষা

আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বোমা মেরে পালানোর ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল

অশান্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে জাতিসংঘে ইরানের অভিযোগ

১০

এবার ইরাকে বড় আকারের আন্দোলনের শঙ্কা

১১

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

১২

সকালের একটি মাত্র ছোট অভ্যাসেই কমবে মানসিক চাপ

১৩

বগুড়ায় পাঁচ বছরে ৪০০ খুন

১৪

খুবি শিক্ষককে ২ বছরের জন্য অব্যাহতি

১৫

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

১৬

এবারের নির্বাচন হবে চাঁদাবাজমুক্ত হওয়ার নির্বাচন : হাসনাত আব্দুল্লাহ

১৭

সেলস বিভাগে নিয়োগ দিচ্ছে নাবিল গ্রুপ

১৮

সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

১৯

মেঘনা গ্রুপে ম্যানেজার পদে নিয়োগ

২০
X