কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:১৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা

সচিবালয়ে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : সংগৃহীত
সচিবালয়ে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : সংগৃহীত

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং বিসিএস প্রশাসন একাডিমর সহযোগিতায় সচিবালয়ে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

দিনব্যাপী কর্মশালায় বাংলাদেশ সচিবালয় রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) প্রায় দেড় শতাধিক সাংবাদিক অংশ নিয়েছেন। মূলত সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাদক্ষতা বাড়ানোর জন্যই এ কর্মশালার আয়োজন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া কর্মশালায় আলোচক হিসেবে ১ম সেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কমিশনার ড. আব্দুল মালেক এবং জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান।

ড. আব্দুল মালেক তথ্য অধিকার আইনের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। আমিনুল ইসলাম রুলস অব বিজনেজ বা কার্য নিষ্পত্তি বিধিমালা এবং ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স ব্যাখ্যা করেন। বিষয় দুটির ওপর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন সাবেক এই সিনিয়র সচিব।

মধ্যাহ্নভোজের পর অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সুতরাং গণমাধ্যমের ভূমিকা ছাড়া দেশের উন্নয়ন হতে পারে না। উন্নয়নের প্রতিটি স্তরে গণমাধ্যম বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এজন্য সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা যেন আরও বেশি দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে সেজন্য এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কে সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নয় তার ডাটাবেজ তৈরি করছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। দেশের সব সাংবাদিকদের তালিকা থাকা উচিত। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং এর অপব্যবহার নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের উপাত্ত সুরক্ষার জন্যই এ আইন করা হয়েছে। সাংবাদিকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকও বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

দ্বিতীয় সেশনে মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিসিএস প্রশাসন একাডির রেক্টর (সচিব) ড. মো. ওমর ফারুক। কর্মশালা আয়োজনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিসিএস প্রশাসন একাডেমির দায়িত্বশীলদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন বিএসআরএফ সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

কর্মশালায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিসিএস প্রশাসন একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে চায় তুরস্ক 

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শরীর বিরতি চাইছে

কারাগারে হাজতির মৃত্যু

শিয়ালের কামড়ে ঘুমন্ত বৃদ্ধার মৃত্যু

১৯ জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, থাকবে কতদিন 

বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা শাহজালাল 

চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

ভুলেও যে ৫ খাবারের সঙ্গে ডিম না খাওয়াই ভালো

প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর তাসনিম জারার স্ট্যাটাস

চবির এক সিন্ডিকেটে ১৫৩ নিয়োগ 

১০

দেশবাসী তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে : মির্জা ফখরুল

১১

ব্র্যাকে চাকরির সুযোগ

১২

ইলেকট্রিশিয়ান পদে নিয়োগ দিচ্ছে আড়ং

১৩

আ.লীগ নেতা তোজাম্মেল গ্রেপ্তার

১৪

আইসিসি থেকে বিসিবি কত টাকা পায়, যা জানা গেল

১৫

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারা

১৬

শিবচরের খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

১৭

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল

১৮

আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার, এসআই আহত

১৯

রাজধানীতে ফাস্ট ওয়াশ ঢাকা ম্যানস হাফ ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

২০
X