

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য কবীর আহমেদ ভূইয়া বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না; তিনি ছিলেন শক্তি, দৃঢ় সংকল্প ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতীক। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, যে শূন্যতার প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে অনুভূত হবে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বনগজ এলাকায় বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কবীর ভূইয়া বলেন, তারেক রহমান যে ঐক্যের রাজনীতি শুরু করেছেন, তা শুধু নেতৃত্বের স্তরে নয়- গ্রাম থেকে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। কারণ, প্রকৃত শক্তি তৃণমূলের কর্মীরা, তারাই বিএনপির অগ্রযাত্রার প্রধান ভিত্তি।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতে স্বৈরাচারী কুশাসনের সময় কুখ্যাত অবৈধ আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি জীবন বাজি রেখে রাজপথে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন। মানুষের শান্তি, এলাকার উন্নয়ন, রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য— এ কথাও তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
জিয়া পরিবারকে বাংলাদেশের রাজনীতির অস্বীকারযোগ্য বাস্তবতা হিসেবে উল্লেখ করে কবীর আহমেদ ভূইয়া বলেন, এই পরিবারের প্রতি নানাভাবে অবিচার করা হয়েছে। কিন্তু দেশের প্রতি তাদের ভালোবাসা, মানুষের প্রতি তাদের আন্তরিকতা এবং গণতন্ত্রের জন্য তাদের অবদান আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লানভাবে রয়ে গেছে।
হাজি নুর মিয়ার সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে আখাউড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া, সৈয়দ খান সরদার, সুমন মিয়া, আবু হানিফ, আবু বক্কর মেম্বার, মঙ্গল মিয়া, সেলিম মোল্লা ও রওশন আলী বেপারিসহ স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আবদু, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম ভূঁইয়া, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আকতার খান, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোহসীন, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আমজাদ খান, সদস্য সচিব বাহাদুর তিতাস, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হাসান সানি, বর্তমান সভাপতি ইমরান মোল্লা ও সদস্য সচিব মোবারক মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন