কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩, ০৯:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সমাবেশের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা সংবিধানের লঙ্ঘন : বিচারপতি আব্দুর রউফ

ছবি : কালবেলা
ছবি : কালবেলা

বাক ও ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং বিপন্ন মানবাধিকার, প্রেক্ষিত বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা নেই, মানবাধিকার নেই, চলাচলের স্বাধীনতা নেই। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ মিছিল-মিটিংয়ে স্বাধীনতা নেই। সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের মিছিল সমাবেশ করার রাজনৈতিক অধিকার আছে। কাউকে সভা-সমাবেশের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

‘সম্ভাবনার বাংলাদেশ’র উদ্যোগে আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এ আলোচনা সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম রহমান ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন—ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সহসভাপতি, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আতিয়ার রহমান, নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহিল কাফি, নাগরিক ফোরামের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন।

প্রধান অতিথি বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীকে সমাবেশের অনুমতি দিতে সরকার টালবাহানা করছে। জামায়াতেরও মিছিল-সমাবেশের অধিকার আছে এবং তাদের এটা দিতে হবে। তাদের এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। মানুষের কল্যাণে এত এত রাইটস করলাম কিন্তু আজ মানবাধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী মানুষের মৌলিক অধিকার আছে কিন্তু জনগণ তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানবাধিকার কথাটাই হচ্ছে খারাপ। আল্লাহ মানুষকে তার খলিফা হিসেবে পাঠিয়েছেন। মানুষের কাজ হলো মানুষের প্রকৃত অধিকার রক্ষা করা। এটা পালন করতে পারলে মানবাধিকার নিয়ে কেউ প্রশ্ন করবে না। কিন্তু কেউ তা মানছে না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আওয়ামী লীগের দুই নেতার পদত্যাগ

কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রাখা হয় যুবক আরিফকে

বিশ্লেষণ / লেবাননকে পররাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান

কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী / ‘বিরোধী দলের প্রধান কাজ দেশকে অশান্ত করা’

টিজারে বিজয় সেতুপতির হুঁশিয়ারি

সাবেক এমপির মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশি বেনাপোল দিয়ে ফেরত

‘ভারত-বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়া’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন ডা. শফিকুর রহমান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি হলে লেবাননেও সংঘাত থামতে পারে

শাহবাগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বিড়াল, ২৫ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রোরেল

১০

নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর

১১

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

১২

২০২৫ সালে ৫৬% বেসামরিক মৃত্যুর জন্য দায়ী ইসরায়েল

১৩

বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪

কুয়েতে সরকারি স্ট্যাম্প জালিয়াতি চক্রের হোতা বাংলাদেশিরা, গ্রেপ্তার ৫

১৫

পতাকা বৈঠক ব্যর্থ : শিশুসহ ১২ জন এখনো শূন্যরেখায়

১৬

যমুনা চরের পিছিয়ে পড়া মানুষের শিক্ষা বিস্তারে স্থাপিত হচ্ছে রেসিডিন্সিয়াল কলেজ 

১৭

শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যুবদলের শ্রদ্ধা

১৮

খেলা দেখে ফেরার পথে প্রাণ গেল যুবকের

১৯

নাঈমের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি চায় কোয়াব

২০
X