গণঅধিকার পরিষদের একাংশের নেতারা বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির পথ এখন একটাই সেটা হলো- বিদেশি ও প্রতিবেশীর আগ্রাসন এবং আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই। এর বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক সব জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় আগ্রাসন বিরোধী র্যালি ও লিফলেট বিতরণ যোগ দিয়ে তারা এসব কথা বলেন। গত ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন বাতিল ও প্রতিবেশী আধিপত্যবাদীদের পণ্য বর্জনের আহ্বানে গণঅধিকার পরিষদ এ কর্মসূচি পালন করে।
জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে কালভার্ট রোড হয়ে পুরানা পল্টন মোড় ও বায়তুল মোকাররম এলাকায় লিফলেট বিতরণের মধ্যেদিয়ে এ র্যালি শেষ হয়।
র্যালি শুরুর পূর্বে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান বলেন, আগামী ঈদ হবে বাংলাদেশ জনগণের ঈদ, এই ঈদে আমরা কেউ আধিপত্যবাদীদের পণ্য ব্যবহার করব না। প্রতিবেশী দেশ আমাদের অক্টোপাসের মতো চুষে খাচ্ছে। তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করা ছাড়া বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির আর কোনো পথ নেই।
আমরা গণঅধিকার পরিষদ তাদের পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছি। ইতোমধ্যে আমাদের ডাকে জনগণ ব্যাপকভাবে সাড়া দিচ্ছে। আমরা এই আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছি।
গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির পথ এখন একটাই, প্রতিবেশীদের আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই। বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল এই আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস দেখায় না, আমরা গণঅধিকার পরিষদ সাহস নিয়ে রাজপথে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, লিফলেট বিতরণ করছি।
তিনি বলেন, আমরা জানি এ লড়াইয়ের পথ অনেক কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে আমাদের পূর্বে অনেকেই জীবন দিয়েছে দেশের জন্য যার উজ্জ্বল উদাহরণ বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। অনেককে গুম হতে হয়েছে, যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী, জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে আজও গুম অবস্থায় আছে।
সংগঠনের নেতা তারেক রহমান বলেন, আমরা শত ঝুঁকি জেনেও দেশ ও জনগণের মুক্তির জন্য এই কঠিন লড়াইয়ে নেমেছি। ইনশাআল্লাহ আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে।
র্যালিতে আরও উপস্থিত ছিলপন আতাউল্লাহ, ইমামউদ্দিন, আরিফ বিল্লাহ, যুবনেতা সাকিব হোসাইন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন