কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:৪৮ পিএম
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৩৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র শবেবরাতে যেসব কাজ করবেন না

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

পবিত্র শবে বরাত। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রজনী। এই রাতের তাৎপর্য অনেক। মহান আল্লাহতায়ালা তার রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করে দেন এই রাতে। এ জন্যই হয়তো শবে বরাতের রাত হাজার রাতের তুলনায় উত্তম।

তবে পবিত্র এই রাত ঘিরে গড়ে উঠেছে কিছু কুসংস্কারও। ইবাদতের রাতকে গতানুগতিক উৎসবে পরিণত করা অনুচিত। ইসলামে নেই এমন কাজ এই রাতে করা যাবে না। তেমনই কিছু কাজের কথা তুলে ধরা হলো-

আতশবাজি ও পটকা ফোটানো

ইবাদতের এই রাতে মাথায় টুপি ও হাতে তসবিহ নিয়ে আতশবাজি ছোড়ে এবং পটকা ফোটায় কিছু সংখ্যক লোক। অথচ এর মাধ্যমে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃদ্ধ ও শিশুরা ভয়ে বের হতে পারে না। এর কারণে যেখানে-সেখানে অগ্নিকাণ্ডও ঘটতে পারে। শবে বরাতের সঙ্গে এ ধরনের কাজের সম্পর্ক দূরে থাক, ইসলামের সঙ্গে এসব কাজের দূরতম সম্পর্কও নেই।

আলোকসজ্জা করা

কোনো কোনো অঞ্চলে এ রাতে বাড়িঘর, মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হয়। এর মাধ্যমে একটি উৎসবের আমেজ তৈরি করা হয়। অথচ এর সঙ্গে শবে বরাতের কোনো সম্পর্ক নেই; বরং এসব কাজ অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত, যা ইসলামে নিরুৎসাহিত করা হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা অপচয় কোরো না, নিশ্চয়ই অপচয়কারী শয়তানের ভাই।’ (সুরা বনি ইসরাইল)

গুনাহে জড়ানো

আমরা জেনে না-জেনে নানা গুনাহ করে ফেলি। শবে বরাতের পুণ্যময় রাতে আল্লাহ তাআলা সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন। তবে কিছু গুনাহ আল্লাহ তাআলার কাছে এতই জঘন্য যে এমন মহিমান্বিত রাতেও সেসব ক্ষমা করেন না। যেমন—হিংসা, জাদুটোনা, গণকে বিশ্বাস, মা-বাবার অবাধ্যতা, ব্যভিচার ইত্যাদি।

হালুয়া-রুটি

একটি কথা প্রচলিত আছে, যা রাসুল (সা.)-এর হাদিস বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। তা হলো, ‘শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বানালে আরশের নিচে ছায়া পাওয়া যাবে।’ তবে হাদিসের সঙ্গে এর দূরতম সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথা। কোনো জাল হাদিসেও এমন কথা পাওয়া যায় না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে বিদ্যুৎ গ্রিডে চাপ, ব্ল্যাকআউট ও দাম বৃদ্ধির শঙ্কা

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত সব রোগ প্রতিরোধে উচ্চপর্যায়ের ‘টাস্কফোর্স’ গঠন

মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী

কেন পাকিস্তান সফরে গেলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট?

নিরাপদ খাদ্যের লড়াইয়ে গণমাধ্যম : এফওপিএল নিয়ে সাংবাদিক কর্মশালা

নারী মাদককারবারিকে পুলিশে দিল ছাত্রদল

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু ঝুঁকিতে তিন স্কুলের দেড় হাজার শিক্ষার্থী

সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা

ডেঙ্গু মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কায় সেনা মোতায়েন

মেসিকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে ফিফা!

১০

পানি পান করে হাসপাতালে ৩২ শিক্ষার্থী

১১

হোয়াইট হাউসে হামলার ষড়যন্ত্র, এফবিআইয়ের জালে আরও দুজন

১২

কাউকে গ্রেপ্তারের আগে সঠিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত করুন : মেয়র শাহাদাত

১৩

সিএনএনের বিশ্লেষণ / তেলের দাম কি এখন চীনের ওপর নির্ভর করবে?

১৪

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

১৫

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে চট্টগ্রামে কড়া সতর্কতা

১৬

শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে না পারার কারণ জানালেন মন্ত্রী

১৭

বেলারুশকে রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রাশিয়া

১৮

বিশ্বকাপের নকআউটে উঠেছে যেসব দল, বিদায় নিশ্চিত যাদের

১৯

বান্দরবানে ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই: জেলা প্রশাসন

২০
X