কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৪, ০৪:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

চলতি দশকে অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষে আসবে তুরস্ক!

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

চলতি দশকের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে উঠে আসতে চাইছে তুরস্কের আসেলসান। প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে ৭৯ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামরিক চুক্তি সম্পাদন করেছে।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত ফার্নবোরো আন্তর্জাতিক এয়ারশোতে অংশ নিয়ে বৈশ্বিক অঙ্গনে নিজেদের রাজত্ব কায়েমের কথা জানায় তুর্কি প্রতিষ্ঠানটি।

একসময়কার ইউরোপের রুগণ ব্যক্তি থেকে ইউরোপের শক্তিশালী পরাশক্তি হয়ে ওঠার লক্ষ্যমাত্রা নেয় এরদোয়ান প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে ক্রমেই সামরিক খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে তুরস্ক। একইসঙ্গে কূটনৈতিক অঙ্গনেও বাড়ছে তুরস্কের প্রতিপত্তি।

ফার্নবোরো আন্তর্জাতিক এয়ারশোতে অংশ নিয়ে আসেলসানের প্রধান নির্বাহী আহমেত আকিওল জানান, ২০৩০ সালে বিশ্বের শীর্ষ ৩০ সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নিজেদের নাম দেখতে চায় আসেলসান।

আকিওল জানান, ৪৯ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত আসেলসান তুরস্কের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা সংস্থায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনী এবং বিশ্বব্যাপী অন্যান্য বাহিনীর জন্য স্থল ও সমুদ্র নিরাপত্তাবিষয়ক সমাধান প্রদান করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এভিয়েশন খাতে তুরস্ক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।

আসেলসান সিইও জানান, তুরস্ক এখন চালকবিহীন আকাশ যান, হেলিকপ্টার, এরোপ্লেন এবং এমনকি দেশীয় উপগ্রহ রপ্তানি করে। যার অন্যতম অংশীদার আসেলসান।

সংস্থাটি ফার্নবোরো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারশোতে ৬টি ভিন্ন বিভাগে ৫০টিরও বেশি পণ্য প্রদর্শন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে অ্যাভিওনিক সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সলিউশন, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ক্যামেরা, রাডার সিস্টেম এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি।

তুর্কি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে তুর্কি অর্থনীতিতে অবদান রাখতে তারা ব্যাপক কৌশলগত বিনিয়োগ করে। বর্তমানে তারা প্রতি কেজি পণ্য ২ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি দামে রপ্তানি করে থাকে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়, ইব্রাহিমোভিচের মতে বিশ্বকাপ জিততে পারে যে দল

বাংলাদেশে ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ‘একশো’ -এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশিদের সমর্থন চাইলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

হিজাব ছাড়া গান, ইরানি গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ

নজরুলের গানে মুখর বারহাট্টা, ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ শতবর্ষে দিনব্যাপী কর্মশালা

শ্রীরামচন্দ্রের প্রতিকৃতি অবমাননার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ সমাবেশ

লিবিয়া উপকূলে ভেসে এলো ১৫ অভিবাসীর মরদেহ

ফরিদপুরে জিয়াউর রহমানের খনন করা খালে বাঁধ, বিপাকে কয়েক হাজার কৃষক

বাবা দিবসের বিশেষ নাটক ‘বাবার ডায়েরি’

ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে করা যাবে যেসব কাজ

১০

বিয়ের ৬ মাস পার না হতেই লাশ হয়ে ফিরলেন কাজল রেখা

১১

ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন বাস্তবতা নিয়ে ‘১২তম ডিজিটাল সামিট’ অনুষ্ঠিত

১২

গৃহকর্মীকে হত্যা, স্ত্রীসহ পাউবোর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবিবুর রিমান্ডে

১৩

বিশ্বকাপের মাঝে অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদিনহো

১৪

‘এই লড়াইয়ে যদি আপনাদের পতন হয়, আমাদের কিছু করার থাকবে না’

১৫

জুলাই-আগস্টের বিচারে ধীরগতি, আলামত নষ্ট হতে পারে : শিশির মনির

১৬

আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান 

১৭

বিশ্বকাপের মঞ্চে ছেলের জোড়া গোল দেখে কাঁদলেন মা

১৮

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশে মাটি লুট, সমাধানে ‘বৃষ্টির অপেক্ষায়’ ইউএনও!

১৯

হিমালয়ে ওঠেও বাবার মতো উঁচু কিছু দেখেননি বাবর আলী

২০
X