কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:৪৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জাতিগত নিধনের ভয়ে কারাবাখ ছেড়েছে সাড়ে ৪০ হাজার আর্মেনীয়

দলে দলে নাগোর্নো-কারাবাখ ছাড়ছে আর্মেনীয়রা। ছবি : সংগৃহীত
দলে দলে নাগোর্নো-কারাবাখ ছাড়ছে আর্মেনীয়রা। ছবি : সংগৃহীত

আজারবাইজানের একদিনের সামরিক অভিযানে পরাজয়ের পর থেকে দলে দলে নাগোর্নো-কারাবাখ ছাড়ছে আর্মেনীয়রা। এরই মধ্যে বিরোধপূর্ণ এ অঞ্চল ছেড়ে সাড়ে ৪০ হাজার আর্মেনীয় পাশের দেশ আর্মেনিয়ায় আশ্রয় গ্রহণ করেছে, যা মোট জনসংখ্যার তিন ভাগের এক ভাগ। খবর বিবিসি।

কারাবাখ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ছিল। বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে অঞ্চলটি আজারবাইজানের অংশ হলেও সেটি জাতিগত আর্মেনীয় অধ্যুষিত এলাকা। সেখানে ১ লাখ ২০ হাজার আর্মেনীয় বসবাস করেন। বিরোধপূর্ণ এ অঞ্চল নিয়ে এরই মধ্যে দুটি যুদ্ধে জড়িয়েছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। প্রথমটি ১৯৯০-এর দশকে এবং দ্বিতীয়টি ২০২০ সালে। ২০২০ সালের যুদ্ধে রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার আগে কারাবাখের বেশকিছু অঞ্চল নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় আজারবাইজান।

সম্প্রতি এ অঞ্চলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে গত মঙ্গলবার সেখানে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেয় আজারবাইজান। সামরিক অভিযানের ২৪ ঘণ্টার মাথায় আর্মেনীয়রা আত্মসমর্পণ করলে যুদ্ধবিরতিতে যায় দুপক্ষ। যুদ্ধবিরতির পরপর আর্মেনীয়দের অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা জানায় আজারবাইজান। তবে তাদের এমন আশ্বাসে আশ্বস্ত হতে পারেননি কারাবাখের নেতারা।

রোববার কারাবাখ রিপাবলিকের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ডেভিড বাবায়ান বলেছেন, আমাদের জনগণ আজারবাইজানের অংশ হিসেবে থাকতে চায় না। ৯৯ শতাংশ মানুষ আমাদের ঐতিহাসিক ভূমি ছেড়ে চলে যেতে চায়।

এরপরই আজারবাইজানের হাতে জাতিগত নিধনের ভয়ে দলে দলে আর্মেনিয়ায় পাড়ি জমাতে থাকেন জাতিগত আর্মেনীয়রা। বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, এখনো সড়কে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। তারা গাড়ি-ট্রাকে করে কারাবাখ ছাড়ছে। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে গত সোমবার গভীর রাতে কারাবাখের আঞ্চলিক রাজধানী স্টেপানাকার্টের একটি তেলের ডিপোতে আগুন লেগে অন্তত ৬৮ জন নিহত হয়। তারা সবাই কারাবাখ ছাড়তে তেল নিতে সেখানো জড়ো হয়েছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ১২ দলীয় জোটের

যাদের বিপক্ষে মাঠে নামছে ব্রাজিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব-বিরোধে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫০

গাজীপুরে কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি উলফাতের মুক্তি দাবি ফখরুলের 

আতঙ্কে আবারও গ্রেপ্তার শুরু করেছে সরকার : রিজভী

মিশিগানে জয় পেলেও স্বস্তিতে নেই বাইডেন

হলমার্কের তানভীরসহ ১৮ জনের মামলার রায় থেকে সাক্ষীতে

খুরশীদ আলম ও ড. হাবিব হচ্ছেন ডেপুটি গভর্নর

বউ-শাশুড়ি লাইব্রেরি গড়তে বই নিয়ে শ্বশুরবাড়ি নববধূ

১০

ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়ার নিবন্ধ / অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সব দুরভিসন্ধি দূরে ঠেলে এগিয়ে যাওয়ার এখনই সময়

১১

ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল

১২

৪ হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযানে ৩৬ দালাল আটক

১৩

সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন আগামী ২ এপ্রিল

১৪

ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এবার আরেক ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ 

১৫

‘অর্জনে বেঁচে থাকবেন পঙ্কজ উদাস’

১৬

স্বামীকে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

১৭

ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল

১৮

‘নির্বাচনের সব কার্যক্রম ডিজিটাল করার প্রক্রিয়া চলছে’

১৯

মেয়েকে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করায় বাবাকে মারধর, গ্রেপ্তার ৪

২০
X