কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৫, ০৮:৫৭ পিএম
আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৫, ০৭:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শত কোটির সড়কের মাঝেই কেন দাঁড়িয়ে আছে গাছ!

পাটনা-গয়া প্রধান সড়কের মাঝে সারি সারি গাছ। ছবি : সংগৃহীত
পাটনা-গয়া প্রধান সড়কের মাঝে সারি সারি গাছ। ছবি : সংগৃহীত

ভাবুন তো, আপনি ছুটে চলেছেন একটি প্রশস্ত ও মসৃণ সড়ক ধরে, চারপাশে সবুজ গাছপালা, নির্মল বাতাস, আর মাথার ওপর ছায়া। হঠাৎ করে মাঝপথেই চোখের সামনে চলে এলো গাছের সারি! সেই স্বপ্নময় যাত্রা মুহূর্তেই রূপ নিল ভয়ানক দুঃস্বপ্নে।

শুধু কল্পনা নয়, ভারতের বিহার রাজ্যের জেহানাবাদ জেলায় এমনই বাস্তব এক ঘটনা ঘটেছে। পাটনা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে সম্প্রতি ১০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত একটি রাস্তা এখন পরিচিতি পেয়েছে ‘সাজানো মৃত্যুপুরী’ হিসেবে। কারণ, এই সম্প্রসারিত সড়কের মাঝখানেই দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য গাছ!

৭.৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ পাটনা-গয়া প্রধান সড়কের এই নতুন অংশজুড়ে গাছগুলো এমনভাবে রাখা হয়েছে, যার ফলে চালকদের প্রতিনিয়ত 'জিগজ্যাগ' পদ্ধতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। যেন বাস্তব কোনো ভিডিও গেমে অংশ নিচ্ছেন তারা। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে গেছে বহুগুণে।

জানা গেছে, রাস্তা সম্প্রসারণের সময় জেলার প্রশাসন বন বিভাগে গাছ কাটার অনুমতির জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু বন বিভাগ সে অনুমতি না দিয়ে পরিবর্তে চেয়ে বসে ১৪ হেক্টর বনভূমির ক্ষতিপূরণ। প্রশাসনের পক্ষে সেই শর্ত পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

ফলে তারা নেয় এক বিস্ময়কর সিদ্ধান্ত, গাছগুলো রেখেই তাদের চারপাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে ফেলা হয়!

এই গাছগুলোও আবার একই সরলরেখায় নেই। কোনোটি একটু বাঁয়ে, কোনোটি ডানে, আবার কোনোটি একেবারে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে রাস্তার কোনো এক পাশ দিয়েই নিরবচ্ছিন্নভাবে গাড়ি চালানো সম্ভব নয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইতোমধ্যেই এই সড়কে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এক পথচারীর ভাষায়, ‘প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছি আমরা। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাছ অপসারণে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।’

প্রশ্ন উঠছে এই সড়কে যদি বড় ধরনের দুর্ঘটনায় কারও মৃত্যু ঘটে, তবে সেই দায়ভার কে নেবে? তবে এ প্রশ্নের উত্তর এখনো অনিশ্চিত।

সূত্র : এনডিটিভি

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এ রাষ্ট্র নারী-শিশুর নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ’

বিশ্বকাপ ম্যাচের ফলাফল জানিয়ে চমকে দিল হাঙর

নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

পাটওয়ারী-সারজিসের সফর ঘিরে মতলবে উত্তেজনা

‘বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতার বোঝা জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না’

খড় শুকাতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল কৃষকের

তিন বছর ধরে অবরুদ্ধ, স্ত্রীর জানাজায়ও যেতে দিল না ছেলে

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পদোন্নতি, গ্রেড-১ পেলেন ২ কর্মকর্তা

যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে আইয়ুব খান, প্রত্যাশা সাংগঠনিক গতিশীলতার

নারায়ণগঞ্জ  / বিএনপি নেতাকে মারধর, ৪ যুবদল কর্মী বহিষ্কার

১০

ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে লেবাননের যোদ্ধারা

১১

ঈদের ছুটিতে সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটকের ঢল

১২

বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে আর্জেন্টিনার ‘গোপন’ পরিকল্পনা

১৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার, পলাতক ২

১৪

হিটস্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়

১৫

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

১৬

চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

১৭

টিআইবির বিবৃতি / কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দুর্নীতিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার শামিল

১৮

৬ দফা দাবিতে চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলন

১৯

হজ শেষে হাজিদের জন্য যে ৩ কাজ জরুরি

২০
X