কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০২৪, ০২:৪১ পিএম
আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:৩৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলের কিন্ডারগার্টেনে ড্রোন হামলা

ইসরায়েলে কিন্ডারগার্টেনে ড্রোন হামলা এবং গাজায় সংঘাতে নিহত আরও ৪ ইসরায়েলি সেনা
একটি কিন্ডারগার্টেনের প্রাঙ্গণ। প্রতীকী ছবি

ইসরায়েলে কিন্ডারগার্টেনে ড্রোন হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, লেবানন থেকে হামলাটি করেছে হিজবুল্লাহ। ধারণা করা হচ্ছে, ড্রোনটি ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে সক্ষম হয়েছে। কারণ, যখন এটি বিস্ফোরিত হচ্ছে তখনও কোনো সাইরেন বাজেনি।

পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, হিজবুল্লাহর ড্রোন নেশারের হাইফা শহরতলির একটি কিন্ডারগার্টেনের উঠানে আঘাত হানে। এতে কেউ হতাহত হননি। তবে বিস্ফোরণে একটি ভবনের সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অন্তত দুটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ড্রোন উড়ে এসে কিন্ডারগার্টেনটিতে আঘাত হানে। এ সময় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের পর মুহূর্তের ভিডিওতে দেখা যায়, বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে ভবনের পলেস্তারা ভেঙে পাঠদানের কক্ষে ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে ফিলিস্তিনের গাজায় প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়েছে ইসরায়েলি সেনারা। সোমবারের (১১ নভেম্বর) স্বাধীনতাকামীদের সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে ইসরায়েলের আরও ৪ সেনা নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে নিহতের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে এখনও সংঘাতের ঘটনা বিস্তারিত জানায়নি। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।

আইডিএফ জানায়, উত্তর গাজা উপত্যকায় লড়াইয়ের সময় চার সেনা নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, স্টাফ সার্জেন্ট ওর কার্টজ (২০), স্টাফ সার্জেন্ট নেভ ইয়ার আসুলিন (২১), স্টাফ সার্জেন্ট গ্যারি লালরুয়াকিমা জোলাট (২১) ও স্টাফ সার্জেন্ট ওফির ইলিয়াহু (২০)।

সৈন্যরা সবাই কেফির ব্রিগেডের শিমশন ব্যাটালিয়নের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। তাদের মৃত্যুতে গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে স্থল আক্রমণ এবং সীমান্তে অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনা নিহতের সংখ্যা ৩৭৫ জনে দাঁড়াল। তবে আইডিএফের এ হিসাব অনেকেই মানতে নারাজ। বিভিন্ন সংগঠন ইসরায়েলি সেনা নিহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশিত সংখ্যার কয়েক গুণ বলে দাবি করেছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, সন্দেহ রয়ে গেছে : মঞ্জু

ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

নবম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন নিয়ে যা জানাল কমিশন

ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

গ্যাস যেন সোনার হরিণ, এলপিজি সংকটে নাভিশ্বাস

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বহ্নিশিখা : কবীর ভূঁইয়া

মুসাব্বির হত্যা নিয়ে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া

ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত হচ্ছে শিবিরের দ্বারা : ডা. আউয়াল

আইসিসিকে পাঠানোর বিসিবির নতুন চিঠিতে যা আছে

জবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার

১০

মুদ্রা ছাপাতে প্রতি বছর ব্যয় ২০ হাজার কোটি টাকা : গভর্নর

১১

পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ কিনছে সৌদি আরব

১২

চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড অগ্রগতি, রাজস্ব বেড়েছে ৭.৫৫ শতাংশ

১৩

রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না : রবিউল আলম

১৪

মঈন আলীর ঝলকে ঢাকাকে হারাল সিলেট

১৫

এবার পিএসএলেও দেখা যাবে হায়দরাবাদ দল

১৬

জামায়াতে কোনো রাজাকার ছিল না : মেজর আক্তারুজ্জামান

১৭

ফোন-ল্যাপটপ বিক্রি বা সারাতে দেওয়ার আগে যেসব কাজ করা জরুরি

১৮

স্বর্ণের দাম আরও কমলো

১৯

নোয়াখালীর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন সৌম্য

২০
X