রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ০১:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ায় সেনাবাহিনীর ওপর বিদ্রোহীদের হামলা, নিহত ১০০

সিরিয়ায় একটি এলাকায় সেনাবাহিনীর অবস্থান। পুরোনো ছবি
সিরিয়ায় একটি এলাকায় সেনাবাহিনীর অবস্থান। পুরোনো ছবি

সিরিয়ায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০০ জন নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের আলেপ্পো প্রদেশে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়েত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) এবং তাদের মিত্র বাহিনী সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন অন্তত ১০টি এলাকা দখলে নিয়েছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার একটি বিশাল এলাকা এইচটিএসের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাদের সঙ্গে বুধবার সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে প্রায় ১০০ জন সেনা ও বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘর্ষে এইচটিএসে ৪৪ সদস্য ও তাদের মিত্রদের ১৬ সদস্য হয়েছেন।

সংস্থার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে বিভিন্ন পদমর্যাদার অন্তত চার কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর ৩৭ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় এবং পাঁচ সদস্যকে বন্দি করা হয়েছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর অস্ত্রের ডিপো, সাঁজোয়া যান, মেশিনারিজ এবং ভারী অস্ত্র লুট করেছে বিদ্রোহীরা।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, সংঘর্ষে শিশুসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক লোক হতাহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকাছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী বেসামরিক ও সামরিক অবস্থানে শত শত শেল ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

সিরিয়ার সেনাবাহিনীর একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এইচটিএস যোদ্ধারা এবং তাদের সহযোগীরা আলেপ্পো শহরের উপকণ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার এবং নুবল এবং জাহরা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অগ্রসর হয়েছে। এ দুটি প্রধান শিয়া শহরে হিজবুল্লাহর শক্ত অবস্থান রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এইচটিএস বাহিনী আলেপ্পোর পূর্বে আল-নায়রাব বিমানবন্দরেও আক্রমণ করেছে। এলাকাটিতে ইরানপন্থি যোদ্ধাদের ফাঁড়ি রয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১০

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১১

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১২

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৩

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৪

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৫

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৬

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

১৭

গুম হওয়া বাবার স্মৃতিচারণ করে শিশুর আর্তনাদ, কাঁদলেন তারেক রহমান

১৮

বিক্ষোভে ‘হাজারো হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত : খামেনি

১৯

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস

২০
X