

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীর কর্মী নিহতের ঘটনায় মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করার পর উপজেলা পরিষদের কাছে নিহতের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল ইসলাম (৪৬) রামসিংহপুর এলাকার হাজী মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট ধোবাউড়া আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের কর্মী বলে জানা গেছে।
নিহতের ছেলে মো. সোলাইমান ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২২ জনকে আসামি করে আজ ভোরে থানায় একটি অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
জানা গেছে, ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে সালমান ওমরের নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নজরুল ইসলামকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন—মো. আদম আলী (৫৪) ও মো. দুলাল মিয়াকে (৫৩) ও মো. ইব্রাহিমকে (৫২)।
শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ ধোবাউড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলকে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নিহতের ছেলে মো. সোলাইমান বাবার হত্যার বিচার দাবি করেন।
ধোবাউড়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী সহিংসতায় হত্যার ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সোলাইমান বাদী হয়ে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন