সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:২৬ এএম
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিজয়ের পর উমাইয়া মসজিদ থেকে যা বললেন আল-জোলানি

উমাইয়া মসজিদে ভাষণ দেন জোলানি। ছবি : সংগৃহীত
উমাইয়া মসজিদে ভাষণ দেন জোলানি। ছবি : সংগৃহীত

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ (এইচটিএস)-এর নেতা আবু মোহাম্মদ আল জোলানির দেখা মিলেছে। সেখানে তিনি সবার উদ্দেশে ভাষণ দেন।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন'র প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে আল-জোলানির বিজয়-বার্তা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর এই প্রথমবারের মতো উমাইয়া মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে তিনি সিরিয়ার জনগণের উদ্দেশে বিজয়ের বার্তা দেন। বিজয়ী বার্তা শুধু সিরিয়ার জনগণের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

আল-জোলানি তার বক্তব্যে প্রথমেই উল্লেখ করেন, সিরীয়দের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং নির্যাতনের কথা।

তিনি বলেন, যারা দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন এবং অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন, তাদের আত্মত্যাগের ফলস্বরূপ এই বিজয় এসেছে। তিনি সিরিয়ার জনগণের একতা এবং সংগ্রামকে প্রশংসা করেন, যা হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) যোদ্ধাদের মাধ্যমে আসাদ সরকারের পতনে ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, আল-জোলানি তার বক্তব্যে সিরিয়ার ধর্মীয় ও সম্প্রদায়িক বিভাজন দূর করার জন্য একটি শান্তির বার্তা দিয়েছেন। সিরিয়ায় সুন্নি মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও, আসাদ ছিলেন শিয়া আলাওয়াত সম্প্রদায়ের। আল-জোলানি তার ভাষণে সকল ধর্মাবলম্বী সিরীয়দের একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জোলানি তার বক্তব্যে বলেন, আসাদের শাসন হাজারো নিরীহ নাগরিককে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করেছে। আজ আমরা এই বিজয়ের পুরস্কার পেয়েছি।

তিনি বলেন, আজ আমরা বিজয়ী, আসাদের শাসন শেষ। এটি শুধু আমাদের নয়, পুরো সিরিয়ার বিজয়।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্রোহী জোটের মধ্যে মতবিরোধ এবং আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর ক্ষমতার লড়াই নতুন শাসন কাঠামো গড়তে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

কানাডার অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক থমাস জুনো বলেন, আসাদ বিরোধিতাই ছিল এই বিদ্রোহী জোটের মিলনের মূল শক্তি। তবে আসাদ পালিয়ে যাওয়ার পর এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঐক্য ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৩ জনকে বাঁচিয়ে পানিতে তলিয়ে গেলেন হাসান, শেষ ফোনকলে ছিল মাকে দেখার ইচ্ছা

খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন ইশরাক

‘মা-ভাই-বোনকে প্লট দিতে খালা হাসিনাকে চাপ দেন টিউলিপ’

প্লট দুর্নীতি / শেখ হাসিনার সঙ্গে এবার রেহানা-টিউলিপের রায় সোমবার

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন সোমবার

বিএমইউ ‘ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’-এর উদ্যোগে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

জাতির ক্রান্তিলগ্নে খালেদা জিয়ার সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি : ব্যারিস্টার অসীম

ঢাকা উত্তরের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম গঠন

মশক নিধনে ৫৬ স্প্রেম্যানকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিল চসিক

চট্টগ্রামে মাস্টার ইন্সট্রাক্টর প্রশিক্ষণ, সড়ক নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ

১০

জামায়াত বরাবরই বিএনপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে : কাজী আলাউদ্দিন

১১

ব্রাকসু নির্বাচন / প্রথম দিনে ৭ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ, ছাত্রী হলে নেননি কেউ

১২

বগুড়ায় হাসিনাসহ ২৯৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১৩

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ভাতা দেবে : মাসুদ সাঈদী

১৪

৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি

১৫

সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ২১ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার

১৬

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সিংড়ায় বিশেষ দোয়া মাহফিল

১৭

রাজশাহীকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়তে চাই : আরএমপি কমিশনার

১৮

চট্টগ্রামে ই-পারিবারিক আদালত চালু, আইনি সেবা মিলবে ঘরে বসেই

১৯

ছয় লেনের দাবিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে অবরোধ

২০
X