মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:২৬ এএম
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিজয়ের পর উমাইয়া মসজিদ থেকে যা বললেন আল-জোলানি

উমাইয়া মসজিদে ভাষণ দেন জোলানি। ছবি : সংগৃহীত
উমাইয়া মসজিদে ভাষণ দেন জোলানি। ছবি : সংগৃহীত

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ (এইচটিএস)-এর নেতা আবু মোহাম্মদ আল জোলানির দেখা মিলেছে। সেখানে তিনি সবার উদ্দেশে ভাষণ দেন।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন'র প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে আল-জোলানির বিজয়-বার্তা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর এই প্রথমবারের মতো উমাইয়া মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে তিনি সিরিয়ার জনগণের উদ্দেশে বিজয়ের বার্তা দেন। বিজয়ী বার্তা শুধু সিরিয়ার জনগণের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

আল-জোলানি তার বক্তব্যে প্রথমেই উল্লেখ করেন, সিরীয়দের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং নির্যাতনের কথা।

তিনি বলেন, যারা দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন এবং অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন, তাদের আত্মত্যাগের ফলস্বরূপ এই বিজয় এসেছে। তিনি সিরিয়ার জনগণের একতা এবং সংগ্রামকে প্রশংসা করেন, যা হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) যোদ্ধাদের মাধ্যমে আসাদ সরকারের পতনে ভূমিকা রেখেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, আল-জোলানি তার বক্তব্যে সিরিয়ার ধর্মীয় ও সম্প্রদায়িক বিভাজন দূর করার জন্য একটি শান্তির বার্তা দিয়েছেন। সিরিয়ায় সুন্নি মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও, আসাদ ছিলেন শিয়া আলাওয়াত সম্প্রদায়ের। আল-জোলানি তার ভাষণে সকল ধর্মাবলম্বী সিরীয়দের একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জোলানি তার বক্তব্যে বলেন, আসাদের শাসন হাজারো নিরীহ নাগরিককে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করেছে। আজ আমরা এই বিজয়ের পুরস্কার পেয়েছি।

তিনি বলেন, আজ আমরা বিজয়ী, আসাদের শাসন শেষ। এটি শুধু আমাদের নয়, পুরো সিরিয়ার বিজয়।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্রোহী জোটের মধ্যে মতবিরোধ এবং আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর ক্ষমতার লড়াই নতুন শাসন কাঠামো গড়তে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

কানাডার অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক থমাস জুনো বলেন, আসাদ বিরোধিতাই ছিল এই বিদ্রোহী জোটের মিলনের মূল শক্তি। তবে আসাদ পালিয়ে যাওয়ার পর এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঐক্য ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুই দেশ থেকে ফেরত এলো ৫৬০০ পোস্টাল ব্যালট

বাবা হতে চলেছেন সৌম্য সরকার

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরের সম্মানে যে ২ আসন ছাড়ল ইসলামী আন্দোলন

শুধু পড়াশোনার চাপ নয়, শিশুদের আগ্রহের বিষয়টিতে উৎসাহ দেওয়া জরুরি

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই যেভাবে মিলবে ৪ দিনের ছুটি

আমার কর্মীদের ভয়ভীতি দেওয়া হচ্ছে : মহিউদ্দিন আহমেদ

আলিফ হত্যা মামলা / নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন চিন্ময় ব্রহ্মচারী

আমির হামজার সকল ওয়াজ-মাহফিল স্থগিত ঘোষণা

ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা প্রত্যাহার দুই দেশের

পঞ্চগড়ে জাতীয় ছাত্রশক্তির ‘হ্যাঁ যাত্রা’ ক্যাম্পেইন

১০

শাকসু নির্বাচন নিয়ে উত্তাল শাবি

১১

খড়িবাহী ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মা-মেয়ের

১২

দেশে প্রথম বেস আইসোলেশন প্রযুক্তিতে ফায়ার সার্ভিস ভবন নির্মাণ করছে গণপূর্ত

১৩

সাইড দিতে গিয়ে ট্রাকের নিচে মোটরসাইকেল, মা-মেয়ে নিহত

১৪

নির্বাচনকালীন সহিংসতা রোধে মাজআসের গোলটেবিল আলোচনা সভা

১৫

একই গ্রুপে ভারত-পাকিস্তান, বাংলাদেশের সঙ্গে কারা?

১৬

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

১৭

যে দুর্গম এলাকায় র‌্যাবের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা

১৮

ফের মা হচ্ছেন বুবলী? গুঞ্জনের জবাবে নায়িকার ‘রহস্য’

১৯

২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, এনসিপি নেতাসহ আটক ৩

২০
X