কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৫, ০৩:০৫ পিএম
আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২৫, ০৩:১১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঈদ উদযাপনের সময় গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

অবরুদ্ধ গাজায় এবারও নেই ঈদের আমেজ। ঈদের দিনও নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ঈদের দিন সকালেই ইসরায়েলি বাহিনী কমপক্ষে ৯ জনকে হত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচ শিশুও রয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন গাজার বাসিন্দার। এদিন নামাজের সময় গুলির শব্দও শোনা গেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও পোস্ট করেছে ফিলিস্তিনি তথ্য কেন্দ্র।

ঈদের ঠিক আগে শনিবারও (২৯ মার্চ) গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় এক শিশুসহ ১৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার সকালে ঈদুল ফিতর উদযাপনের সময়ও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী বোমাবর্ষণ করেছে।

ধ্বংসস্তুপের পাশেই ঈদের নামাজ পড়ছেন গাজার বাসিন্দারা। ছবি : আলজাজিরা

দীর্ঘ ১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। তারপর প্রায় দু’মাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে চলতি মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৯২১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ৩০৫৪ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নৃশংস আক্রমণে ৫০,২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘রাজাসাব’ ফ্লপ হতেই প্রভাস ভক্তদের রোষানলে নির্মাতা

গভীর রাতে দুই যুবদল নেতার বাড়িতে হামলা ও আগুন

যে কারণে পিছিয়ে গেল তারেক রহমানের রাজশাহী সফর

সঞ্চয়পত্র কেনায় সীমা তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার : অর্থসচিব

প্রধান উপদেষ্টা / গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হবে নীলফামারীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী হাসপাতাল

‘ঘাড়ের ওপর ছিল ছুরি, দিনে কয়েকবার ধর্ষণ’; নেটফ্লিক্সে এলিজাবেথেরর সেই ৯ মাসের গল্প

দেশ ছাড়েননি বুলবুল, তিনি এখন মিরপুরে

লন্ডনের বাড়িতে বিরাট-অনুষ্কার পূজা

পাঁচ মনোনয়ন গ্রহণ ও ৯ প্রার্থীকে প্রতীক দিল ইসি

ফোনের কভার ব্যাবহারের আগে জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

১০

একটি মানবিক প্রতিবেদন বদলে দিল নূরজাহানের জীবন

১১

জানুয়ারির ২৪ দিনে যে ৭ ব্যাংকে আসেনি রেমিট্যান্স

১২

কিংবদন্তির ছেলের বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ

১৩

বিশ্বকাপে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে খেলোয়াড়দের যা জানাল পিসিবি

১৪

দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে সতিনের ঘর হবে: ফরহাদ আজাদ

১৫

মার্ক টালির মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক

১৬

কোলন ক্যানসার নিয়ন্ত্রণের ৫ উপায়

১৭

পরপুরুষের পাশে দাঁড়াতেও আপত্তি! ভাইরাল ভিডিও নিয়ে শোরগোল

১৮

আইসিসি বৈঠকে উত্তপ্ত বুলবুল, তীব্র টানাপোড়েনের তথ্য ফাঁস

১৯

তারেক রহমানের ‘ইউথ পলিসি টকে’ আমন্ত্রণ পাননি চাকসু এজিএস

২০
X