বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৫, ১০:০৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তুরস্ক থেকে সিরিয়ায় ফিরেছে প্রায় ২.৫ লাখ শরণার্থী

দেশে ফিরছেন তুরস্কে আশ্রয় নেওয়া সিরীয় শরণার্থীরা। ছবি : সংগৃহীত
দেশে ফিরছেন তুরস্কে আশ্রয় নেওয়া সিরীয় শরণার্থীরা। ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শেষে অবশেষে শান্ত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়া। দেশটির স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদের শাসনামলে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন লাখ লাখ মানুষ। তবে বিদ্রোহীদের কাছে সরকার পতনের পর অবশেষে স্বদেশে ফেরার স্বাদ পাচ্ছেন তারা।

সবচেয়ে বেশি সিরীয় শরণার্থী আশ্রয় দেওয়া তুরস্ক সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার সিরীয় শরণার্থী আসাদের পতনের পর স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

আরব নিউজের খবরে বলা হয়, তুরস্কের মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তুরস্কে অস্থায়ী সুরক্ষা সুবিধা পাওয়া সিরীয়দের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। মে মাসে দেশটিতে বসবাসরত সিরীয় শরণার্থীর সংখ্যা ২৭ লাখ ২৩ হাজার ৪২১ জনে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ২০২১ সালের মে মাসে এই সংখ্যা ছিল ৩৭ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৯ জন।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, আসাদ সরকারের পতনের পর বহু সিরীয় নাগরিক নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তারা ফিরে যাচ্ছেন স্বেচ্ছায়, কারণ দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে।

২০১১ সালে আরব বসন্তের প্রভাবে সিরিয়ায় শুরু হয় সরকারবিরোধী আন্দোলন, যা ধীরে ধীরে পরিণত হয় ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে। এই দীর্ঘ সংঘাতে প্রায় ৮৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। তাদের বেশিরভাগই তুরস্ক, লেবানন ও জর্দানের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন।

তুরস্কে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী জনগোষ্ঠী রয়েছে, যার বড় অংশই সিরীয় নাগরিক।

বিশ্লেষকদের মতে, আসাদ সরকারের পতনের ফলে সিরিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কিছুটা ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে বহু শরণার্থী, বিশেষ করে পরিবারসহ তুরস্কে অবস্থানরতরা, নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

যদিও অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন, তবে বিশাল সংখ্যক সিরীয় এখনো বিদেশে অবস্থান করছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো, কর্মসংস্থানের অভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জগুলো এখন সিরিয়ার সামনে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা।

কালবেলা/এমএসকেএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

১০

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

১১

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

১২

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

১৩

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

১৪

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে সুযোগ দেবে না ইসি

১৫

কুয়াকাটায় বসতবাড়ি থেকে পদ্ম গোখরা উদ্ধার

১৬

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

১৭

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

১৮

স্কালোনির পর আর্জেন্টিনার কোচ হতে পারেন যারা, আলোচনায় ৪ নাম

১৯

পাঁচ তারকা বিচারক নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘ভয়েজ অব বাংলাদেশ’

২০
X