শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৫৯ পিএম
আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:২৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দুঃসাহসী সেই চিকিৎসকের ভাগ্যে কী ঘটেছে?

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দি হুসাম আবু সাফিয়া। তিনি সেই চিকিৎসক যিনি ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও নিজে হেঁটে শত্রু ট্যাংকের কাছে গিয়েছিলেন। ওই দিন গাজার হাসপাতাল থেকে নিরীহ রোগীদের অন্যত্র সরাতে জীবন বাজি রাখেন হুসাম।

প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ইসরায়েলি কারাগারে আটক আছেন তিনি। যুদ্ধবিরতির পর বহু নিরীহ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলেও ডাক্তার হুসাম আবু সাফিয়াকে মুক্তি দেয়নি দখলদার বাহিনী। তার ভাগ্যে কী ঘটবে বা বর্তমানে তিনি কেমন আছেন তাও অজানা। এমন অনিশ্চয়তায় তাকে দেওয়ার আন্তর্জাতিক দাবি ক্রমশ বাড়ছে।

আলজাজিরার বুধবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, আবু সাফিয়া একজন শিশু বিশেষজ্ঞ। ১৯৭৩ সালের ২১ নভেম্বর উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৮ সালে তার পরিবার আশকেলন জেলার হামামা ফিলিস্তিনি শহর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়।

তিনি জাবালিয়া, বেইত লাহিয়া এবং বেইত হানুনের আশপাশের জেলাগুলোতে ইসরায়েলি সেনাদের ৮৫ দিনের অবরোধের মধ্য দিয়েও উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতাল পরিচালনা করেন। অবরোধের সময় ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের খাদ্য ও পানির সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে শত শত বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে।

একই অভিযানের সময় হাসপাতালের গেটে ড্রোন হামলায় আবু সাফিয়ার ছেলে ইব্রাহিমকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর যখন সেনারা হাসপাতালে অভিযান চালায় তখন ছবি-ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাফিয়া তার সাদা ডাক্তারের কোট পরে ভবন থেকে বেরিয়ে এসে রোগীদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েলি সাঁজোয়া যানের দিকে যাচ্ছেন।

তিনি বিনীতভাবে ইসরায়েলি সেনাদের বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দখলদারদের মন গলেনি। হাসপাতালে হামলা করা হয়। বহু নিরীহ মানুষের মৃত্যু ঘটে। আবু সাফিয়া এবং রোগী-কর্মীসহ আরও কয়েক ডজনকে আটক করা হয়। সোমবার হামাস কর্তৃক আটক ২০ জিম্মির বিনিময়ে মুক্তি পাওয়া শত শত ফিলিস্তিনি বন্দি ও বন্দিদের মধ্যে তিনি ছিলেন না। এতে তার ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জার্মানিতে ভেঙে পড়লো উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ার

আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ, জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল

ভৈরবে রেলপথ অবরোধ, ৫ ট্রেন আটকা

৬ দফা দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মানববন্ধন, শনিবার থেকে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি

সিএন্ডএফ ভবনেই মিলবে চসিকের ট্রেড লাইসেন্স, বুথ স্থাপনের নির্দেশ মেয়রের

নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ২ ভাইয়ের মৃত্যু

নানার বাড়ি থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ, খালে মিলল মরদেহ

দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক বাড়িঘরে আগুন

কারাগারে আইভীকে গান শোনাতেন মমতাজ, যে গান না গাইতে অনুরোধ

পাকিস্তানের সিরিজ জয়

১০

ইউক্রেন ছাড় দিলে সমঝোতায় প্রস্তুত রাশিয়া : পুতিন

১১

ডাচদের হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ বাংলাদেশের

১২

আফগানিস্তানকেও রুখে দিল বাংলাদেশ

১৩

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি নাগরিক

১৪

পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ

১৫

যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু

১৬

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তথ্য পেয়ে চুক্তি ও ঋণপত্র বাতিল, ফেরত যাচ্ছে ‘এমটি মেমেই’

১৭

ছবি প্রকাশ করলেন রাশেদ খান / সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের

১৮

বজ্রপাতে সারা দেশে প্রাণ গেল ১২ জনের

১৯

অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি এনসিপির

২০
X