শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি : সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, এই ‘অনুরোধের’ জাতীয় ও আইনি গুরুত্ব বিবেচনা করে তারা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মতামত নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত দেবেন।

রোববার (৩০ নভেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু গত পাঁচ বছর ধরে তিনটি পৃথক দুর্নীতি মামলায় ঘুষ, জালিয়াতি ও আস্থাভঙ্গের অভিযোগে বিচারের সম্মুখীন। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, তিনি চাইলে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত দেখতে পারতেন, তবে ‘জাতীয় স্বার্থ অন্যথা দাবি করেছে’।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ‘সম্পূর্ণ ক্ষমা’ দেওয়ার জন্য ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানান। হারজগ তখন জানান, ক্ষমা পেতে হলে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হবে। রোববার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় নেতানিয়াহুর আবেদনের চিঠিও প্রকাশ করেছে— যদিও সিদ্ধান্ত কবে নেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

নেতানিয়াহু ২০২০ সালে বিচারাধীন অবস্থায় দায়িত্ব পালন করা প্রথম ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী হন। তার বিরুদ্ধে তিনটি প্রধান অভিযোগ রয়েছে। এগুলো হলো ধনী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সিগার ও শ্যাম্পেনসহ নানা উপহার গ্রহণের বদলে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ, একটি ইসরায়েলি পত্রিকার প্রচার বাড়াতে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইতিবাচক সংবাদ কভারেজ চাওয়ার অভিযোগ এবং একটি বড় টেলিকম কোম্পানির মালিককে নিয়ন্ত্রক সুবিধা দিয়ে তাদের নিউজ ওয়েবসাইটে নেতানিয়াহুকে নিয়ে অনুকূল সংবাদ প্রকাশ নিশ্চিত করার অভিযোগ।

বিবিসি জানিয়েছে, নেতানিয়াহু সব অভিযোগকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ‘উইচ হান্ট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইসরায়েলের বেসিক ল অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট দণ্ড মওকুফ বা সাজা লঘু করতে পারেন, এমনকি প্রয়োজনে দণ্ড ঘোষণার আগেও ক্ষমা দিতে পারেন— যদি জনস্বার্থ বা বিশেষ পরিস্থিতি থাকে।

নেতানিয়াহুর লিকুদ দল ও ডানপন্থিরা সবসময়ই তাকে ক্ষমার পক্ষে। তবে ইসরায়েলের অনেক নাগরিক— বিশেষত বামঘরানার মানুষ এটিকে দেশের শক্তিশালী বিচারব্যবস্থা থেকে আরেক ধাপ পিছিয়ে যাওয়া হিসেবে দেখছেন।

২০২৩ সালে বিচার বিভাগীয় সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যে কয়েক মাসব্যাপী গণবিক্ষোভ হয়েছিল। সেটিও ছিল জনসাধারণের এই শঙ্কার প্রতিফলন। পরে ৭ অক্টোবর হামাস নেতৃত্বাধীন হামলার পর পরিস্থিতি আরও বদলে যায় এবং গাজা যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভৈরবে রেলপথ অবরোধ, ৫ ট্রেন আটকা

৬ দফা দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মানববন্ধন, শনিবার থেকে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি

সিএন্ডএফ ভবনেই মিলবে চসিকের ট্রেড লাইসেন্স, বুথ স্থাপনের নির্দেশ মেয়রের

নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে ২ ভাইয়ের মৃত্যু

নানার বাড়ি থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ, খালে মিলল মরদেহ

দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক বাড়িঘরে আগুন

কারাগারে আইভীকে গান শোনাতেন মমতাজ, যে গান না গাইতে অনুরোধ

পাকিস্তানের সিরিজ জয়

ইউক্রেন ছাড় দিলে সমঝোতায় প্রস্তুত রাশিয়া : পুতিন

ডাচদের হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ বাংলাদেশের

১০

আফগানিস্তানকেও রুখে দিল বাংলাদেশ

১১

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি নাগরিক

১২

পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সিআইডি প্রধানের পদত্যাগ

১৩

যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু

১৪

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তথ্য পেয়ে চুক্তি ও ঋণপত্র বাতিল, ফেরত যাচ্ছে ‘এমটি মেমেই’

১৫

ছবি প্রকাশ করলেন রাশেদ খান / সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের

১৬

বজ্রপাতে সারা দেশে প্রাণ গেল ১২ জনের

১৭

অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর দাবি এনসিপির

১৮

দাবি এমপি শওকতুলের / শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান নোবেল পাওয়ার যোগ্য

১৯

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেতা আলভীর মা

২০
X