কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:১১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানের ওপর নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের পতাকা নিয়ে গ্রাফিক্স। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পতাকা নিয়ে গ্রাফিক্স। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমনের অভিযোগে দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মার্কিন অর্থ দপ্তরও ১৮ ব্যক্তির ওপর পৃথক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি, ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডাররা। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, তারাই দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মূল নকশাকার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ফারদিস কারাগারকেও নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এই কারাগারে নারী বন্দিদের ওপর ‘নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অবমাননাকর আচরণ’ চালানো হয়েছে।

এক ভিডিও বার্তায় মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইরানের শাসকগোষ্ঠীর প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, মার্কিন ট্রেজারি জানে—ডুবন্ত জাহাজ থেকে পালানোর মতো করে আপনারা ইরানি জনগণের কাছ থেকে চুরি করা অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা আপনাদের অর্থের গতিপথ অনুসরণ করব।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্তা স্পষ্ট—সহিংসতা বন্ধ করুন এবং ইরানের জনগণের পাশে দাঁড়ান।

স্কট বেসেন্ট বলেন, স্বাধীনতা ও ন্যায়ের দাবিতে ইরানি জনগণের পাশে যুক্তরাষ্ট্র দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট তার হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করবে।

এ বিষয়ে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে ইরানের মিশন তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে তেহরানের শাসকগোষ্ঠী বরাবরের মতোই এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সরকার বিক্ষোভের পেছনে থাকা অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে। তিনি দুর্নীতি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার এবং নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

মার্কিন অর্থ দপ্তর পৃথক এক নিষেধাজ্ঞায় ১৮ জনের কথা উল্লেখ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘ছায়া ব্যাংকিং’নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে কাজের অভিযোগ করা হয়েছে। ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রির অর্থ পাচারের জড়িত ছিলেন তারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাঙ্গুনিয়ায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বেতাগী মানবিক ফাউন্ডেশন

শবেমেরাজের ঘটনা থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১২ শিক্ষা

‘হ্যাঁ’ ভোটে জনগণের আশার প্রতিফলন ঘটবে : অর্থ উপদেষ্টা

খালেদা জিয়া মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন : নূরুল কবীর

যশোর সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

শান্তিময় অহিংস শরীয়তপুর গড়তে দোয়া চাইলেন নুরুদ্দিন অপু

চীনা-কানাডিয়ান সম্পর্ক নতুন মোড়ে, শুল্কে ছাড় ঘোষণা

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে বেফাকের ৪৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা

ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরের ই-টিকিটিং সেবা চালু

১০

জাপার সঙ্গে জোটে যাওয়া নিয়ে যা বলল ইসলামী আন্দোলন

১১

ফাইনালে না হারা ‌‘এলিট’ কোচ তারা

১২

‘নেতানিয়াহুর সঙ্গে ছবি তুলতেও এখন আর কেউ আগ্রহী নন’

১৩

একক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনের, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাল জামায়াত

১৪

বায়রার নির্বাচনের তপশিল স্থগিত 

১৫

উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

১৬

বিমানবন্দর থেকে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

১৭

সবার আগে বিপিএল থেকে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিদায়

১৮

গাড়িচাপায় পাম্প শ্রমিকের মৃত্যু, যুবদলের সাবেক নেতা আটক

১৯

বিএনপি সবসময় ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাস করে : সেলিমুজ্জামান

২০
X