

গাজার প্রায় ১১ লাখ বাসিন্দাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। তাদের এই নির্দেশনার জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস। তারা বলছে, ইসরায়েলের নির্দেশ মানা হবে না, গাজাবাসী তাদের ঘর ছেড়ে কোথাও যাবে না। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
হামাসের রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ব্যুরোর প্রধান বাসেম নাইম আলজাজিরাকে বলেন, আমাদের সামনে দুটি পথ আছে। এক. ইসরায়েলি নিপীড়নের অবসান ঘটানো। দুই. আমাদের ঘরে বসে থেকে মৃত্যুবরণ করা। তাই ১৯৪৮ সালের মতো আমরা আরেকটি নাকবা বা বিপর্যয় ঘটাতে চাই না। তখন ইসরায়েলের নিপীড়নের মুখে ৭ লাখ ফিলিস্তিনি তাদের ঘর ছেড়ে পালিয়েছিল।
বাসেম নাইম বলেন, আমরা নীরবে মরছিলাম। তাই আমরা জানান দিলাম। আমরা এই খোলা কারাগার থেকে বের হতে চেয়েছিলাম। আমরা বিশ্ববাসীকে আমাদের দুর্দশার কথা শোনাতে চেয়েছিলাম। আমরা যা করছি সব আত্মরক্ষার্থেই করছি। আমরা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য সংগ্রাম করছি।
এর আগে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বসবাসরত বাসিন্দাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরে যাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে ইসরায়েলের সশস্ত্রবাহিনী। জাতিসংঘের মাধ্যমে তারা এই আল্টিমেটাম দিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, ইসরায়েল যে দাবি করেছে তাতে ওই অঞ্চলের অন্তত ১১ লাখ অধিবাসীকে সরে যেতে হবে। যা গাজার জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। জাতিসংঘ এই আল্টিমেটাম প্রত্যাহারের জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছে বলেও জানান তিনি।