শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৩, ০২:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সব কার্যক্রম স্থগিত করল ওশানগেট

ডুবোযান টাইটান। ছবি : সংগৃহীত
ডুবোযান টাইটান। ছবি : সংগৃহীত

আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে বিস্ফোরিত ডুবোযান টাইটানের পরিচালনাকারী সংস্থা ওশানগেট নিজেদের সব কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ওশানগেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সব ধরনের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে তারা।

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গত ১৮ জুন পাঁচ আরোহী নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে ডুব দেয় টাইটান। পৌনে দুই ঘণ্টার মাথায় টাইটানের সঙ্গে পানির ওপরে থাকা নিয়ন্ত্রক জাহাজ ‘পোলার প্রিন্সের’ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে চলছিল টাইটানের উদ্ধার অভিযান।

চারদিনের শ্বাসরুদ্ধকর তল্লাশি শেষে টাইটানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এরপর পর্যালোচনার জন্য কানাডার সেন্ট জনস নিউফাউন্ডল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয় ধ্বংসাবশেষগুলো। ডুবোযানের ভেতরে মানুষের দেহাবশেষ পাওয়া গেছে বলে ধারণা করেন বিশেষজ্ঞরা।

টাইটানের পাঁচ আরোহী ছিলেন—পাকিস্তানের ধনকুবের শাহজাদা দাউদ, তার ছেলে সুলেমান, যুক্তরাজ্যের ধনকুবের হ্যামিশ হার্ডিং, ফরাসি সাবমার্সিবল পাইলট পল হেনরি ও টাইটানিক অভিযান সংস্থার সিইও স্টকটন রাশ।

ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা গেলেও পাঁচ আরোহীর মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব না-ও হতে পারে বলে জানিয়েছিল মার্কিন কোস্টগার্ড।

এদিকে টাইটান নিখোঁজের ঘটনায় নিহত পাঁচ আরোহীর পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবেন কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্লেষণমূলক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যু অথবা বিপর্যয়ে কর্তৃপক্ষ দায় নেবে না, এমন স্বাক্ষর করেই সাবমেরিন টাইটানে চড়েন পর্যটকরা। তবে এমন চুক্তি করে চড়লেও এখনো তারা ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তাদের পাড়ি দিতে হবে জটিল আইনি পথ। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জটিল সমীকরণ।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতে সব সময় দায় মওকুফের বিষয়গুলো আমলে নেওয়া হয় না। যদি কর্তৃপক্ষের গুরুতর অবহেলা বা বিপদের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্তরা সম্মতি জানালেও বিচারক তা প্রত্যাখ্যান করে রায় দিতে পারেন।

ওশানগেটের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো সম্পদ আছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। তবে যদি প্রতিষ্ঠানটির বিমা করা থাকে, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ নিতে পারবেন। অবহেলার কারণেই বিস্ফোরণ ঘটেছে—যদি এমন প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে টাইটান সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনা, নির্মাণ বা উপাদান তৈরিতে সহায়তাকারী তৃতীয় পক্ষের কাছেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কী বলে নুরের ওপর হামলা করা হয়, জানালেন ইয়ামিন মোল্লা

আফগানদের হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলের বিবৃতি

আইসিইউতে নুর, ৪৮ ঘণ্টার আগে কিছু বলা যাবে না : চিকিৎসক

নুরের ওপর হামলা ‘অত্যন্ত ন্যক্কারজনক’: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

নুরের ওপর হামলায় ১০১ সংগঠনের বিবৃতি

নুরকে দেখতে এসে আসিফ নজরুল অবরুদ্ধ 

আহত নুরকে দেখতে ঢামেকে প্রেস সচিব

সহিংসতার ঘটনায় সেনাবাহিনীর বিবৃতি

সেই পরিকল্পনা ভেস্তে গেলেও ওরা থামেনি : হাসনাত

১০

মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে লঙ্কানদের রুদ্ধশ্বাস জয়

১১

নুরের ওপর হামলার কড়া প্রতিবাদ ছাত্রদলের

১২

ভারতীয় বক্সারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন হাসান শিকদার

১৩

আসিফ নজরুলকে তুলোধুনো করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

১৪

২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিল গণঅধিকার পরিষদ

১৫

ইংল্যান্ড সফরের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা

১৬

নিজেদের জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী নেদারল্যান্ডস কোচ

১৭

‘মার্চ টু জাতীয় পার্টি অফিস’ ঘোষণা

১৮

‘নুরের ওপর হামলা পক্ষান্তরে জুলাই অভ্যুত্থানের ওপর হামলা’

১৯

লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য জিগার গাছের আঠা!

২০
X