

ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এ হামলা কীসের ভিত্তিতে চালানো হয়েছে তা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি দেশটিকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
রোববার (০৪ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের আইনি ভিত্তি হিসেবে ‘আদালতের আদেশ’ থাকার কথা জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল কার্যত কোয়ারেন্টিনে রেখেছে, যা ওয়াশিংটনকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত চাপ সৃষ্টির সুযোগ দিচ্ছে।
এক বক্তব্যে রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অনেক প্রতিপক্ষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়বিন্দুতে’ অবস্থান করছে। দেশটিকে আর ‘মাদক পাচারের স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে থাকতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, স্পষ্টতই আমরা ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য একটি ভালো ভবিষ্যৎ চাই। আমরা চাই এমন একটি তেল শিল্প, যেখানে সম্পদের সুফল জনগণের কাছেই পৌঁছাবে।
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্র কোন আইনি ক্ষমতার বলে এসব পদক্ষেপ নিচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, আমাদের কাছে আদালতের আদেশ রয়েছে। আদালত কি আইনি কর্তৃত্ব নয়?
ভেনেজুয়েলা কি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালনা করছে—এমন প্রশ্নে রুবিও সরাসরি তা অস্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির ‘দিকনির্দেশনা নির্ধারণে ভূমিকা রাখছে’, যাতে পরিস্থিতি এগিয়ে নেওয়া যায়।
রুবিও সতর্ক করে বলেন, ভেনেজুয়েলার তেল সংরক্ষণের সক্ষমতা দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাদের তেল উত্তোলন শুরু করতে হবে—যদি না তারা পরিস্থিতি বদলাতে কোনো পদক্ষেপ নেয়।
মন্তব্য করুন