রাজকুমার নন্দী
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

‘অভিমানী’ প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরাতে তৎপর বিএনপি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন
‘অভিমানী’ প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরাতে তৎপর বিএনপি

মনোনয়ন না পেয়ে অর্ধশতাধিক আসনে ‘অভিমানী নেতারা’ স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের মাঠে আবির্ভূত হয়েছেন। বিদ্রোহী হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় এসব প্রার্থী দলের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহী প্রার্থীরা শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে ধানের শীষের বিজয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেন। তাই নির্বাচনের মাঠ থেকে তারা যাতে সরে যান, সেজন্য দলের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। বিএনপির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সারা দেশে দলের স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থীদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোট এবং ধানের শীষের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ায় ৯ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। অন্যান্য আসনেও যারা ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধেও শিগগির সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে দল।

এদিকে একটি সূত্র বলছে, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগের কথা বিবেচনায় এসব নেতার ব্যাপারে দল এখনো নমনীয়। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের বুঝিয়ে নির্বাচন থেকে সরানোর চেষ্টা করবে বিএনপি। এজন্য প্রাথমিকভাবে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেও তাদের সঙ্গে বসতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আগামী ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত দেখবে বিএনপি। তারপরও নির্বাচনের মাঠে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের মতো কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে দল।

বিএনপির প্রত্যাশা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেও অভিমান ভেঙে তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন। এর মাধ্যমে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে। এদিকে স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো ব্যানারেও বিএনপির নেতারা নির্বাচনের মাঠে থাকুক, সেটা চান না দলটির সঙ্গে আসন সমঝোতা হওয়া যুগপৎ জোটের প্রার্থীরা। সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী যারা তাদের নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তারা বলছেন, জনপ্রিয়তা এবং সাংগঠনিক শক্তি বিবেচনায় বিএনপি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। সেই দলের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের মাঠে থাকলে সেটা তাদের জন্য ফল বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

নির্বাচন সামনে রেখে একাধিক মাঠ জরিপের ফল বিশ্লেষণ এবং দলের সম্ভাব্য সব প্রার্থীকে নিয়ে ঢাকায় বৈঠকের পর কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিক প্রার্থীর মধ্য থেকে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তবে দুই দফায় ২৭২ আসনে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে অর্ধশতাধিক আসনে বেশ কিছুদিন ধরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ অবস্থায় শেষ মুহূর্তে ১৫টির মতো আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করে বিএনপি। পরে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত না মেনে শতাধিক আসনে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন বিএনপি নেতারা। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের পর নির্বাচনের মাঠে এখনো অর্ধশতাধিক নেতা রয়ে গেছেন। গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর পরদিনই দলের সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির আরও চার সদস্যসহ ৯ জনকে বহিষ্কার করে দলটি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের সব মনোনয়ন প্রক্রিয়া যখন শেষ হয়ে যাবে, সে পর্যন্ত আমরা দেখব। এরপর যদি কেউ থাকে, তাদের ব্যাপারে দল তখন সিদ্ধান্ত নেবে। একেবারে কঠিন সিদ্ধান্ত খুব সহজে তো আমরা নিতে পারি না, বিএনপি গণতান্ত্রিক একটা দল।

দলটির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে আমরা কিছু আসন ছেড়ে দিয়েছি; যদিও ওই আসনগুলো বিএনপির জন্য একবারে বিজয়ী হওয়ার মতো আসন। এখনো যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী আছে, সেসব জায়গায় ধানের শীষও আছে। তাদের আমরা আগামী ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখব, তাদের বোঝাব। তারপরও তারা যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে, তখন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শরিকদের জন্য ১৬টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে পাঁচটি (নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে), গণতন্ত্র মঞ্চকে তিনটি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটকে একটি, গণঅধিকার পরিষদকে একটি আসন ছেড়েছে। এদের মধ্যে নিবন্ধিত শরিকরা তাদের নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করছে। আর অনিবন্ধিত শরিকরা বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করছে। সমঝোতা অনুযায়ী, বিএনপি সেখানে তাদের দলীয় প্রার্থী দেবে না। এ ছাড়া বিজয় নিশ্চিতে কৌশলের অংশ হিসেবে শরিক কয়েকটি দলের নেতাদের বিএনপিতে যোগদান করিয়ে ‘ধানের শীষ’ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে দু-তিনজন নিজেদের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেন।

সমঝোতা অনুযায়ী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকা-১২; গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬; নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২; গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-৩; জমিয়তের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক সিলেট-৫, সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী নীলফামারী-১ এবং কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নিজেদের দলীয় প্রতীকে ভোট করছেন। এ ছাড়া ১২ দলীয় জোটভুক্ত ‘অনিবন্ধিত’ জমিয়তের যুগ্ম মহাসচিব রশিদ বিন ওয়াক্কাস যশোর-৫ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। অন্যদিকে বিএনপিতে যোগ দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান ঝিনাইদহ-৪, এলডিপির রেদোয়ান আহমদ কুমিল্লা-৭, বাংলাদেশ এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম লক্ষ্মীপুর-১, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা কিশোরগঞ্জ-৫, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ ঢাকা-১৩ থেকে ভোট করছেন ধানের শীষে। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসন থেকে ভোট করায় শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-১ থেকে নির্বাচন করছেন।

ধানের শীষ না পেয়ে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ঢাকা-১২ আসনে বিএনপির সাইফুল আলম নীরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও তরুণ দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে কৃষক দলের মেহেদী হাসান পলাশ, পটুয়াখালী-৩ আসনে হাসান মামুন বহিষ্কৃত হয়েছেন।

এদিকে স্বতন্ত্র বা অন্য কোনো ব্যানারেও বিএনপির নেতারা নির্বাচনের মাঠে থাকুক, সেটা যুগপতের শরিকরা চান না। এ লক্ষ্যে গতকাল শরিক দলের এক নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় তার আসনে থাকা বিএনপির ‘বহিষ্কৃত’ স্বতন্ত্র প্রার্থী যাতে কোনোভাবেই নির্বাচনের মাঠে না থাকেন, তা নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি সমর্থিত যুগপৎ জোটের প্রার্থী ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক কালবেলাকে বলেন, আমরা চাইব- বিএনপির সাথে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা নিজেদের দলীয় প্রতীকে যেসব আসনে নির্বাচন করছেন, সেখানে কোনো ব্যানারেই যেন বিএনপির কোনো প্রার্থী না থাকেন। কারণ, এতে করে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়, ভোটারদের মধ্যে কিছুটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া থাকে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজেদের মধ্যে কোনো বিভাজন-অনৈক্য কাম্য নয়, সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বেশ কিছু আসনে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে যেমন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে, তেমনি আসন সমঝোতার ভিত্তিতে শরিকদের জন্য ছেড়ে দেয়া আসনেও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। আমরা আশা করি, বিএনপির হাইকমান্ড তাদের সবাইকে ডাকবেন এবং আলোচনা করে তারা যাতে নির্বাচন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়ে বিএনপি ও বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেন, সে ব্যাপারে দলের হাইকমান্ড প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবেন।

এদিকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের দাবি, জনগণের চাওয়াকে মূল্যায়ন করতেই তারা নির্বাচন করতে চান। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করলেও দলের নীতি-আদর্শ থেকে পিছু না হটার কথাও জানান তারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি জমিয়তের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়েছে বিএনপি। এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, একজন রাজনীতিবিদ যখন মানুষের কাছ থেকে তার ফল পাওয়া শুরু করে, তখন কোনো দল বা গোষ্ঠী তাকে এনডোর্স করল কি না, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

কুমিল্লা-২ আসনে দলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মতিন বলেন, আমি এসেছি জনগণের জন্য, জনগণের পক্ষে, জনগণের রক্ষার জন্য।

নাটোর-১ আসনে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ফারজানা শারমিন পুতুলকে প্রার্থী করেছে দল। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু। তিনি বলেন, দল দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে জেনেই মানুষের সেন্টিমেন্ট অনুযায়ী নির্বাচনের মাঠে আছি। দলের একটা পদে আছি, দল থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিলে এই পদেও থাকব না। কিন্তু দলের নীতি-আদর্শ থেকে তো আমাকে কেউ বিচ্যুৎ করতে পারবে না।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীকে কুমিল্লা-৬ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে দল। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর আরেক সদস্য আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, আমি সারাজীবন বিএনপির কর্মী ছিলাম, এখনো আছি, ভবিষ্যতেও থাকব। আর নির্বাচনে বিজয়ী হলে বিএনপির কাছেই চলে যাব।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিসিবির মেইলের জবাব দিল আইসিসি, যা আছে সেই মেইলে

কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে?

২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন তারেক রহমান

এবার গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

ডিসেম্বরে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এলো যেসব দেশ থেকে

মন ভালো রাখতে বিজ্ঞানসম্মত ৯ উপায়

ভরাট করা পুকুর উদ্ধার করল প্রশাসন

পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে অস্ত্র, গুলি ও ককটেল উদ্ধার

আগুনে ঘি ঢালল ভারত, দুঃসংবাদ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের

জকসুর ৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, ভিপি পদে হাড্ডাহাড্ডি লাড়াই

১০

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশ

১১

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

১২

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নিউজিল্যান্ডের শক্তিশালী দল ঘোষণা

১৩

আসুন আমাকে তুলে নিয়ে যান, ট্রাম্পকে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

১৪

সুন্দরবনের পর্যটনবাহী নৌযান মালিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

১৫

বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করল বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

১৬

টিকিট চাওয়ায় ছাত্র পরিচয়ে টিটিইকে মারধর, ভিডিও ভাইরাল

১৭

কুয়াশা ও তীব্র শীতে ক্ষতির মুখে বোরো বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

১৮

জকসু নির্বাচন:  / সিইসি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, এগিয়ে ছাত্রশিবির 

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না গেলে কী হবে বাংলাদেশের

২০
X