কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:১৮ এএম
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:১৩ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ছোট ভূমিকম্পে দেশে বড় বিপর্যয়ের আভাস!

বাংলাদেশের অবস্থান ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায়
ছোট ভূমিকম্পে দেশে বড় বিপর্যয়ের আভাস!

ঘড়ির কাঁটা তখন সকাল ৯টা ৩৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড। হঠাৎ ঝাঁকুনিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘরবাড়ি, দালানকোঠা কেঁপে ওঠে। এতে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে অনেক মানুষ বাড়ির বাইরে সড়কে বের হয়ে আসেন। ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৬ ছিল জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বলছে, ঢাকা থেকে ৮৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছিল এর উৎপত্তিস্থল। কিছু কিছু স্থানে বড় বড় ভবনে ফাটল ধরার খবর পাওয়া গেছে। কোথাও কোথাও ঘরের ছাদ ফেটেছে। কোথাও মেঝের টাইলসে ফাটল দেখা গেছে। কুমিল্লায় ভবন থেকে নিচে নামতে গিয়ে শতাধিক পোশাক শ্রমিক আহত হয়েছেন। এই ভূমিকম্পে বাংলাদেশ ছাড়াও পাশের দেশ ভারত-মিয়ানমারের একাংশও কেঁপে উঠেছিল। ছোট মাত্রার এ ভূমিকম্প বড় বিপর্যয়ের আভাস দিচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায়। ফলে এখানে ভূমিকম্প হবেই। আগামী ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত ১৫ বছরে ছোট-বড় ভূমিকম্প হয়েছে ১৪১টি, যা আশঙ্কাজনক। বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, শক্তিশালী কোনো ভূমিকম্প হলে বাংলাদেশের অবস্থা তুরস্ক-সিরিয়া কিংবা মরক্কোর চেয়েও খারাপ হতে পারে। তাই ভূমিকম্প সম্পর্কে সচেতন হওয়া, অপরিকল্পিত নগরায়ণ বন্ধ করা, ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি উদ্ধার ও অনুসন্ধান কাজের প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্র (ইউএসজিএস) তথ্যমতে, উৎপত্তিস্থলে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৫। আর এর উৎপত্তিস্থল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের ৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব-উত্তরে। আর এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে ঢাকা উত্তর-পশ্চিমে ৮৪ কিমি দূরে অবস্থিত; ফলে এখানে তীব্রতা ছিল তুলনামূলক কম।

বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার—তিন দেশই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ, রংপুর, নোয়াখালী, নরসিংদী, সিলেট, খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, চাঁদপুর, মাদারীপুর, রাজশাহী, বাগেরহাট, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, ভূমিকম্পের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৫.৬। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৮৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে রামগঞ্জ এলাকায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্র ছিল।

ভূমিকম্প আতঙ্কে আবাসিক হলের জানালা দিয়ে লাফিয়ে পরে আহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ভূমিকম্পে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের একটি ভবনের বিভিন্ন স্থানের পলেস্তারা খসে পড়ে। হলের পাঠকক্ষের দরজার কাচ ভেঙে গেছে।

ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের দোতলা থেকে লাফ দেন মিনহাজুর রহমান। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ছাত্র মিনহাজুর ওই হলের ২৩৩ নম্বর কক্ষের জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়েন। পড়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, মিনহাজুর রহমানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ছাত্র গোড়ালিতে আঘাত পেয়েছেন।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে ভবন থেকে নিচে নামতে গিয়ে শতাধিক পোশাক শ্রমিক আহত হয়েছেন। অন্তত ২০ জন গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। কারখানাটির ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন জানান, তাদের কারখানার তিন তলাবিশিষ্ট ভবনে সহস্রাধিক কর্মী কাজ করেন। ভূমিকম্পের সময় বেশিরভাগ শ্রমিকই নিরাপদে নেমে যান। হঠাৎ ভবনে ফাটলের গুজব ওঠায় হুড়োহুড়ি শুরু হয় জানিয়ে তিনি বলেন, আচমকা ভিড় থেকে একজন বলে ওঠেন ভবনে ফাটল। এ সময় ভয় ছড়িয়ে পড়লে নারী শ্রমিকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি বেড়ে যায়। তখন দ্রুত নামতে গিয়ে বেশ কয়েকজন আহত হন।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া বলেন, শতাধিক আহত হাসপাতালে এসেছেন। যারা বেশি আহত হয়েছেন, তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, পোশাক কারখানাটির ভবনের দেয়াল ধসেনি। আতঙ্কে তাড়াহুড়ো করে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে সবাই আহত হয়েছেন। ওসি ত্রিনাথ সাহা জানান, আহতদের চিকিৎসায় পুলিশ সহযোগিতা করছে।

এদিকে ভূমিকম্পের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি হলের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো স্থানে ভূকম্পনের জন্য ফল্টলাইনের বড় ভূমিকা রয়েছে। ভূতত্ত্বের বিশাল খণ্ডকে টেকটনিক প্লেট বলা হয়। আর দুটি টেকটনিক প্লেটের মাঝে থাকা ফাটলকে ফল্ট বা চ্যুতি বলা হয়। ফল্টলাইনে দুই প্লেটের সংঘর্ষ হলে ভূমিকম্প হয়। আর্থকোয়েকট্র্যাকের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের ১২ কিলোমিটার পূর্বে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ২০০৮-এ টাঙ্গাইলের কাছে নাগরপুরে এবং ২০১৯ সালে মির্জাপুরে ৪ মাত্রার নিচে ভূমিকম্প হয়েছে। গত ১৫ বছরে নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জে অন্তত চারবার ভূমিকম্প হয়েছে আর ঢাকার কাছে ফরিদপুরেও গত ১৫ বছরের মধ্যে দুবার ৪ মাত্রার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে বলে সংস্থাটির তথ্যে রয়েছে। এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প সন্নিকটে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, আমাদের দেশে ১৮৬৯ থেকে শুরু করে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত ছয় থেকে সাতটি ৮ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। এর মধ্যে রিখটার স্কেলে ৭-এর নিচের ভূমিকম্পগুলো ১৮৭০, ১৮৮৫, ১৯১৮ ও ১৯৩০ সালে হয়েছে। বলা হয়, ৭ মাত্রার ভূমিকম্পগুলো দেড়শ বছর পরপর আসে। আর ৮ মাত্রার ভূমিকম্পগুলো আসে তিনশ বছর পরপর। এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আমাদের দেশে ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প যে কোনো মুহূর্তে হতে পারে।

মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, ইউএসজিএসের তথ্য বলছে, গত ৭-৮ মাসে বাংলাদেশ ও এর আশপাশে ভূমিকম্পের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। হয়তো এটা নির্দেশ করছে, আমাদের সামনে বড় ভূমিকম্প আসছে। কারণ, দেড়শ বছরের সাইকেলে আমরা পড়ে গেছি। ১৮৭০ সালের সঙ্গে যদি দেড়শ বছর যোগ করি, তাহলে ২০২০। দেড়শ বছর মানে কিন্তু এটা নয়, ঠিক দেড়শ বছরেই ভূমিকম্প হবে। এটা ১৪০ বছরে হতে পারে। আবার ১৬০ বছরেও হতে পারে। তার মানে আমাদের প্রস্তুতি নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. সুলতান আল ইসলাম বলেন, এসব ছোট ভূমিকম্প আমাদের জন্য পূর্বাভাস নিয়ে আসছে। বড় ভূমিকম্প হতে পারে যে কোনো সময়।

চলতি বছর এ পর্যন্ত ১২টি হালকা ও মাঝারি ধরনের ভূমিকম্পে কেঁপেছে দেশ। এসব ভূমিকম্প হয়েছে সাড়ে ৯ মাসের ব্যবধানে। ২০১৬ সালের ৪ জানুয়ারি ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেবার আতঙ্কেই মারা যান ছয়জন। বুয়েটের বিভিন্ন সময়ে করা জরিপে দেখা যায়, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে ছোট-বড় ১৪১টি ভূমিকম্প হয়েছে। ঢাকায় ১৩ লাখ, চট্টগ্রামে ৩ লাখ ও সিলেটে ১ লাখ বহুতল ভবন রয়েছে। এসব ভবনের ৭৫ শতাংশ হচ্ছে ছয়তলা বা তার চেয়েও উঁচু। ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে এই ভবনগুলো ও এর বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বুয়েট ও সরকারের একটি যৌথ সমীক্ষায় দেখা গেছে, সাড়ে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকার ৭২ হাজার ভবন ধসে পড়বে। যেখানে তৈরি হবে ৭ কোটি টন কংক্রিটের স্তূপ।

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘বেলা’র নির্বাহী প্রধান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট অঞ্চল হচ্ছে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। টাঙ্গাইলের যে ফল্টটা আছে, সেখানে যদি ৭ দশমিক ৫ মাত্রার কম্পন সৃষ্টি হয়, তাহলে ৭২ হাজারের মতো ভবন ধসে পড়বে এবং ৫৬ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল কালবেলাকে বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত, এ কারণে যে কোনো সময় বড় ধরনের কিংবা মাঝারি ভূমিকম্প হতে পারে দেশে। তাই ভূমিকম্পের তীব্রতা বিবেচনায় রেখে আমাদের ভবন নির্মাণ করা উচিত।

১৯৭০ সালের পর থেকে লক্ষ্মীপুরে ১৫২ ভূমিকম্প অনুভূত: ভূমিকম্পের সংবাদ ও তথ্য রেকর্ডকারী জার্মানভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ভলকানোডিস্কোভারি লক্ষ্মীপুর জেলায় অনুভূত ভূমিকম্পের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকা অনুসারে, ১৯৭০ থেকে ২ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর জেলায় মোট ১৫২টি ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে; যার মধ্যে ৬ মাত্রার ওপরে একটি, ৫ থেকে ৬ মাত্রার মধ্যে ১৫টি, ৪ থেকে ৫ মাত্রার মধ্যে ১০৪টি, ৩ থেকে ৪ মাত্রার মধ্যে ৩১টি এবং ১ থেকে ৩ মাত্রার মধ্যে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

গতকালের ভূমিকম্পটির জিও লোকেশন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভূমিকম্পটি সৃষ্টি হয়েছে রামগঞ্জের দল্টাবাজারের পশ্চিমে পানিওয়ালা-দল্টা-চাটখিল সড়কের দক্ষিণ পাশে উদ্দীপন অফিসের দক্ষিণে একটি জলাশয় বরাবর। ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ঢাকা শহর থেকে ৮৪ কিলোমিটার, কুমিল্লা শহর ৪১ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম শহর ১২৮ কিমি দূরে অবস্থিত।

বিশ্বে ভয়াবহ ভূমিকম্প: চলতি বছরের গত ৬ ফেব্রুয়ারি ভোরে তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এতে দুই দেশে নিহত হন অর্ধ লাখের বেশি মানুষ। সম্প্রতি এটা তুরস্ক ও সিরিয়ায় সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঘটনা।

৭, ১১ ও ১৫ অক্টোবর আফগানিস্তানে তিন দফা ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এতে ১ হাজার ৪৮২ জনের প্রাণহানি, ২ হাজার ১০০ জন আহত হন। ৭ অক্টোবর দেশটির হেরাত প্রদেশে প্রথম দফা ভূমিকম্প হয়। এরপর ১১ ও ১৫ অক্টোবর ৬ দশমিক ৩ মাত্রার আরও দুই দফা ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এর আগে ২০১৫ সালের ২৬ অক্টোবর আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে দেশটির পাশাপাশি পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে প্রায় ৪০০ লোকের মৃত্যু হয়।

গত ৪ নভেম্বর নেপালে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১২৮ জন নিহত হন। ৯ সেপ্টেম্বর আফ্রিকার দেশ মরক্কোয় ৬ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী এক ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পে ২ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘মাহির সর্বনাশ করেছো, আমার সঙ্গে লাগতে এসো না’

জামিলের নতুন গান 

‘হাফ মুন’-এ সাজ্জাদ, রহস্যময়ী নায়িকা কে?

২২১ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে : তাপস

বিরতি ভেঙে ক্যামেরার সামনে জলি 

ঢাকায় বায়ুদূষণের কারণ জানালেন মেয়র তাপস

তামাক নিয়ন্ত্রণে ডর্‌প-সিটিএফকে অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত

সদস্যদের রক্তদানে আগ্রহী হতে বলল যুব রেড ক্রিসেন্ট

গোল বাতিলের তালিকার শীর্ষে রিয়াল

রমজানে অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা

১০

মাদক নিয়ে পুলিশ সদস্যদের কড়া হুঁশিয়ারি আইজিপির

১১

বিপিএলে যে রেকর্ডের সামনে তামিম

১২

গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা ১২ দলীয় জোটের

১৩

যাদের বিপক্ষে মাঠে নামছে ব্রাজিল

১৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব-বিরোধে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫০

১৫

গাজীপুরে কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১

১৬

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি উলফাতের মুক্তি দাবি ফখরুলের 

১৭

আতঙ্কে আবারও গ্রেপ্তার শুরু করেছে সরকার : রিজভী

১৮

মিশিগানে জয় পেলেও স্বস্তিতে নেই বাইডেন

১৯

হলমার্কের তানভীরসহ ১৮ জনের মামলার রায় থেকে সাক্ষীতে

২০
X