সাইফুজ্জামান
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৪, ০৩:৩৪ এএম
আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৪, ০৭:৪১ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

প্রসঙ্গ প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

স্কুল-কলেজে পাঠ কার্যক্রম নতুনভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা কোচিং সেন্টারে পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা প্রকৃতভাবে শিক্ষিত হতে পারছে না। তারা ধরা খাচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপযুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নেই। তা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উপযুক্ত শর্ত পূরণ না করে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় এতদিন যে শিক্ষাক্রম চালিয়েছে যাচ্ছিল, তা আইনসিদ্ধ না হওয়ায় অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পথে। এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা গভীর-উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তিচ্ছুক, তারা বিপুল অর্থের বিনিময়ে ভর্তি হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কতজন টিকে থাকবে তা আমাদের জানা নেই। তাদের মধ্য থেকে অধিকাংশ উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ পাড়ি দেওয়ার প্রস্তুতি নেবে, বাকিরা লেখাপড়া বন্ধ করে বিষণ্নতায় ভুগবে। পরের বছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি কি তাদের থাকবে। অনেকে ঝরে যাবে। আবার জীবনযুদ্ধে অবতীর্ণ হবে উচ্চশিক্ষা বঞ্চিত হয়ে।

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা কতটুকু জ্ঞান সঞ্চয় ও বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারছে, এ প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫-এর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষা সুযোগ গ্রহণের বঞ্চনা প্রত্যক্ষ করা যায়। ঢাকা নগরে শিক্ষার্থীদের কোচিং কিংবা প্রাইভেট পড়ার অবারিত সুযোগের পাশে অভিভাবকদের দুর্ভাবনা কমেনি। বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী ভর্তি হতে পারে না। অনেকে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে, আবার অনেকে নামসর্বস্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চ অর্থের বিনিময়ে পড়তে বাধ্য হচ্ছে। একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ শিক্ষার মানও সার্টিফিকেট প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিরা এ তথ্য সঠিক নয় মতামত দিয়েছে।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা ঘটেছে। ফেসবুক, ইন্টারনেট ও প্রকাশ্যে ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে। অধিকাংশ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র হুবহু মিলে গেছে খবর প্রকাশিত হলে একটি মাত্র পরীক্ষা স্থগিত রেখে বাকি পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষার দিনে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করা, পরীক্ষার মধ্যে বিরতি না দেওয়া সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ঢাকা শহরের যত্রতত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অভিহিত এসব অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিরাট অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য উদ্ধৃত করে পরিবেশিত সংবাদে জানা যায়, ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় কালো তালিকাভুক্ত হয়েছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এসব ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে সাবধান’ শিরোনামে সংবাদটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গভীর উদ্বেগে নিপাতিত করছে সন্দেহ নেই। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা ফল প্রকাশের পর কোচিং সেন্টার ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাণিজ্যে নেমেছে। প্রতারক চক্র সক্রিয় রয়েছে। সরকার এসব অনুমোদনহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফল প্রকাশ করলে স্বস্তি আসবে। যতদিন জানানো না যাচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানের নাম, ততদিন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা চলতে থাকবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বসহ অবৈধ আউটার, ক্যাম্পাসের শাখা নিয়ে টানাপোড়েন রয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হওয়ার জন্য ইউজিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। চটকদার বিজ্ঞাপন, ঢাকা ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের নাম সংযুক্ত বিজ্ঞাপন দেখে প্রলুব্ধ হওয়ার সুযোগ আছে।

অস্বীকার করা ঠিক হবে না যে, উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এক হিসাবে দেখা যাচ্ছে যে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে আড়াইগুণ বেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গুণগতমান কতটুকু উন্নত হয়েছে, তা প্রশ্নবিদ্ধ। ব্যবহারিক ক্লাস, ক্লাসে পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি আধুনিক না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি কাজে লাগবে না। এক ব্যক্তি একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন, এরকম খবর রয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশি টিউশন ফি নির্ধারিত রয়েছে। স্বল্পসংখ্যক স্থানে অধিক ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। অবকাঠামোগত সুবিধা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় চলছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তারা রাজনৈতিক পরিচয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মালিকানা নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একসময় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ছিল। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি পাশ্চাত্য অবধি খ্যাতির নাম ছড়াচ্ছে। বিদেশি শিক্ষার্থীরা এ দেশে প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষা নিতে বাংলাদেশে আসছে। তারপরও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ব্যবসা-বাণিজ্য চলছে। সাধারণ জনগণের অর্থ দিয়ে আমাদের রাজস্ব আয় হয়। এ আয় শিক্ষা ক্ষেত্রের বাজেটের সিংহভাগে ব্যয় হয়। আর শিক্ষিত জাতি উপহার না দিতে পারলে আমাদের কুসংস্কার, দীনতা ঘুচবে না। প্রযুক্তি উন্নয়ন, জ্ঞান-বিজ্ঞানে আধুনিক জাতি নির্মাণে ব্যর্থ হলে অন্ধকার নেমে আসবে যা কাঙ্ক্ষিত নয়। বিশ্বে মাথা উঁচু করে আত্মপরিচয়ে গৌরবের অংশীদার আমরা হতে চাই। নতুন প্রজন্ম শিক্ষিত না হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের দায়িত্বশীল আচরণ কাম্য। এমন অভিযোগ রয়েছে, নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা ক্লাস না নিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে ও কাজ করতে আগ্রহী হচ্ছেন। সবাই হচ্ছেন তা নয়, অধিকাংশ হচ্ছেন তা অস্বীকার করা যাবে না। হয়তো তারা বলবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বল্প বেতনের কথা। তারা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য নিয়োগ পেয়েছেন, বেতন-ভাতাদি যে উল্লেখ ছিল, বিজ্ঞাপনে তার সব শর্ত মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে তারা প্রবেশ করেছেন। একজন শিক্ষকের বেতন-ভাতাদি, সুযোগ-সুবিধা আর দশটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের চেয়ে কোনো অংশ কর্ম নয়। সরকারি-বেসরকারি উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। আমরা জানি উচ্চতর গবেষণার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। গবেষণা, শিক্ষা দুই ক্ষেত্রে দৃষ্টি না দিলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত আধুনিক, যুগোপযোগী হবে না।

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি জুটছে উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের। দরিদ্র মেধাবীরা দৌড় প্রতিযোগিতায় পেছনে পড়ে যাচ্ছে। অত্যন্ত আশার কথা এ দেশে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক পশ্চাৎপদতার কারণে শিক্ষার্থীরা লক্ষ্যে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে এ দেশের ছেলেমেয়েরা বিদেশে খ্যাতি অর্জন করছে সব চ্যালেঞ্জিং পেশায়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটেছে। শপিং মল, ফ্যাশন হাউস, ব্যবসা বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান, সমাজসেবা সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সংগঠন, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। যানজট, গাড়ির বহর ও মানুষের ঢল দেখে কখনো মনে হবে দরিদ্র দেশের রাজধানী শহর ঢাকা। শিক্ষা ক্ষেত্রে বাণিজ্যিকীকরণ দেদার চলছে। ভুয়া ও অনুমোদনহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কার্যক্রম বন্ধ করা প্রয়োজন। তদারকি করার দায়িত্ব যেমন সরকারের, তেমনি সচেতন নাগরিক সমাজ এগিয়ে আসতে পারে উপযুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকতায়। উচ্চশিক্ষাবিহীন জাতি পিছিয়ে যায়। আমরা তো পিছিয়ে যাওয়ার জন্য দেশ স্বাধীন করিনি। রক্তক্ষয়, আত্মত্যাগ, জীবনবাজি মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যয়ের হাতিয়ার গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতি প্রবর্তনের ব্যাপারে শিক্ষাসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ বহুবার মতামত দিয়েছে। পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধারায় ভর্তি করা হয়। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আলাদা প্রস্তুতি নিয়ে হয়। ভর্তি কোচিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যে নেমেছে। শ্রেণিকক্ষে যথাযথ পাঠদান হলে কোচিংনির্ভরতা থাকত না। কোচিং প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের জড়িত অনেকেই মন্তব্য করে থাকেন। ডিজিটাল জালিয়াতির কারণে আটক করা হয়। ভর্তি পরীক্ষার সময় ক্যালকুলেটর সঙ্গে রাখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পক্ষে-বিপক্ষে এ ব্যাপারে বহুমত রয়েছে। ইন্টারনেট, ল্যাপটপ সুবিধা, ল্যাবরেটরি ব্যবহারের সুযোগ বেড়েছে।

ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফল, সামগ্রিক বিবেচনায় তাদের জ্ঞান বৃদ্ধির সহায়ক হয়ে উঠছে না। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা জিপিএ ৫ পাওয়াতে অভিভাবক মহল উৎফুল্ল সঞ্চার করলেও কার্যত বিশ্বব্যাপী ইংরেজিসহ অন্যান্য বিষয়ে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানে ঘাটতি থাকছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা চার-পাঁচ বছর পর জাতির স্টিয়ারিং ধরবে বলার অপেক্ষা রাখে না। তাদের মধ্য থেকে কেউ রাজনীতিবিদ প্রশাসক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও শিক্ষক হয়ে দেশ পরিচালনায় অংশ নেবে। ভাবী পরিচালক বিদ্যাজ্ঞানে ঋদ্ধ যদি হতে না পারে, তাহলে কল্যাণকর রাষ্ট্র আর সমৃদ্ধ মানুষ তৈরি করতে আমরা ব্যর্থ হব। শিক্ষা অর্জনের বিকল্প নেই। শিক্ষাক্ষেত্রে নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। পাঠ কার্যক্রমে পরিবর্তন আনতে হবে। শুধু সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতি প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। প্রকৃত অর্থে শিক্ষিত নাগরিক তৈরি করতে না পারলে আমরা যে তিমিরে আছি, সে তিমিরেই থাকব।

মূল সমস্যা কোথায় তা অনুধাবন করতে হবে ঘরে বসে শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশের লাইব্রেরি, গ্রন্থ, গবেষণা নিবন্ধ ডাউনলোড করতে পারছে। লাইব্রেরি লাইব্রেরি ঘুরে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের প্রয়োজন কমে এসেছে। সেইসঙ্গে প্রযুক্তির যথোপযুক্ত ব্যবহার শিক্ষা সম্প্রসারণে সহায়ক হবে এটাই কাম্য। প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। শিক্ষা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষার সঙ্গে জড়িত নীতিনির্ধারকদের সমবেত পরিকল্পনা। শিক্ষাক্ষেত্রে চলমান নৈরাজ্য কাটিয়ে উঠতে সাহায্য সে ব্যাপারে দ্বিমত নেই। নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত, যুগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিতে হবে।

লেখক: প্রাবন্ধিক, গবেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রোদে গাঁজা শুকাতে দিয়ে ধরা হারুন

চাঁদপুরে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ

ডাচদের বিপক্ষে শামীম-ইমনকে খেলানো নিয়ে যা বললেন সিমন্স

নীল ওয়েবসাইটে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর ছবি, অতঃপর...

ভুটানের বিপক্ষে ড্রয়ে শিরোপার স্বপ্ন ফিকে বাংলাদেশের

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি পাবেন না যারা

বিশেষ সম্মাননা পেলেন কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী

অতিরিক্ত সিমের রেজিস্ট্রেশন নিয়ে চিন্তিত? বাতিলের সহজ পদ্ধতি জেনে নিন

‘আ.লীগের কোনো দোসর যেন কমিটিতে না আসে’

ফ্যাসিবাদকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করতে নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু হতে হবে : সাকি

১০

হত্যার বদলা নিতে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

১১

নির্বাচনী রোডম্যাপ জনগণের সঙ্গে তামাশা : বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১২

ডাকসু নির্বাচন / ‘ব্যালট নম্বর ৩২’ নিয়ে অভিনব প্রচারণা নারী প্রার্থীর

১৩

মিয়ানমার জলসীমায় প্রবেশ, ১২২ জেলেকে ফেরত আনল কোস্টগার্ড

১৪

ওসমান হাদীর পোস্টে সারজিস লিখলেন, ‘এ লড়াই আপনার একার নয়’

১৫

সন্ধ্যায় দুধ চা না লেবু চা— কোনটা খাবেন আর কেন?

১৬

সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, আটক ৫

১৭

কর্ণফুলী টানেল লোকসানি প্রকল্পে পরিণত হয়েছে : চসিক মেয়র

১৮

গোলাপগঞ্জে চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসে তরুণীর টিকটক, অতঃপর...

১৯

‘সোনাই মাধব’ নাটকের ২০২তম মঞ্চায়ন

২০
X