মাসুদ রানার বয়স ৪২ বছর। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কাদিরগাঁওয়ের বাসিন্দা মাসুদের সুনির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই। তবে চলে প্রাইভেটকারে, দক্ষিণ পানগাঁওয়ে তৈরি করেছে বহুতল ভবন। হঠাৎ তার ফুলেফেঁপে ওঠার নেপথ্য কাহিনি বের হয়ে এলো র্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের পর।
র্যাব বলছে, মাসুদ মাদকের বড় কারবারি। প্রাইভেটকারে রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে ফেনসিডিল ও বিদেশি মদ বিক্রি করে। এজন্য রয়েছে তার ম্যানেজার।
গত সোমবার র্যাব-১০ এর একটি দল কেরানীগঞ্জ থেকে ম্যানেজার শেখ শফিজুল ইসলামসহ মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় এক হাজার ৪৭০ বোতল ফেনসিডিল, চার বোতল বিদেশি মদ ও মাদক বিক্রির ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
গতকাল র্যাব-১০ এর অধিনায়ক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, মাসুদ ও তার সহযোগীরা সীমান্ত এলাকা থেকে ফেনসিডিল, বিদেশি মদসহ মাদকের বড় চালান নিয়ে এসে কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় মজুত করত। পরে এগুলো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাসহ নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে পাইকারি মাদক বিক্রেতাদের সরবরাহ করে।
র্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এম জে সোহেল বলেন, মাসুদের ভবনের পাঁচতলার কাজ শেষ হয়েছে। তার বাড়ি ফতুল্লা হলেও কেরানীগঞ্জে মাদকের গুদাম তৈরি করেছিল। তার বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় একটি মামলার তথ্য মিলেছে। শফিজুলের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় দুটি মামলার তথ্য মিলেছে।