বগুড়া ব্যুরো ও শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৪, ০৭:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঘরের মেঝে থেকে ১৯টি গোখরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার

নিয়ে যাওয়া হয় উদ্ধারকৃত সাপের বাচ্চা। ছবি : কালবেলা
নিয়ে যাওয়া হয় উদ্ধারকৃত সাপের বাচ্চা। ছবি : কালবেলা

বগুড়ায় ঘরের মেঝে থেকে ১৯টি বিষধর সাপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সেগুলো বস্তায় ভরে বনবিভাগের হাতে তুলে দেয় স্বেচ্ছাসেবী একটি দল।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেলে শেরপুর পৌরশহরের উত্তর সাহাপাড়া মহল্লার হরিজনপল্লিতে ঘটনাটি ঘটেছে। পরে বন বিভাগের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার এগুলো প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হেলাল বাঁশফোর নামের এক ব্যক্তির ঘরের পাকা মেঝেতে একটি গর্ত ছিল। সবাই ভেবেছিলেন, এর ভেতরে হয়তো ইঁদুরের বসবাস। কিন্তু সংস্কারকাজ করতে গিয়ে গর্তটির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে বিষধর সাপের বাচ্চা। তাও আবার একটি-দুটি নয়, গর্ত থেকে একের পর এক বেরিয়ে আসে গোখরার ১৯টি বাচ্চা!

সাপের বাচ্চাগুলো বের হতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন সাপের বাচ্চাগুলো মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হয়। এরপর স্বেচ্ছাসেবী দল এসে সাপগুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের হাতে তুলে দেয়।

এদিকে বিষধর সাপ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, এলাকায় আরও অনেক বিষধর সাপ আছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

শেরপুর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিবেশ প্রতিরক্ষা সংস্থার সভাপতি সোহাগ রায় বলেন, উদ্ধার করা ১৯টি সাপের বাচ্চার সব কটিই খৈয়া গোখরা প্রজাতির। এগুলোর বয়স এক মাস বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খৈয়া গোখরার প্রজননকাল এপ্রিল থেকে জুলাই মাস। এ সময় এই সাপ সাধারণত ইঁদুরের গর্তে অনধিক ৩০টি ডিম দিয়ে থাকে। এদের বিষ শক্তিশালী সিনাপটিক নিউরোটক্সিন ও কার্ডিওটক্সিন সমৃদ্ধ। এ সাপের বাচ্চার জন্ম থেকেই কার্যকর বিষগ্রন্থি থাকে। দংশনের ১৫ থেকে ১২০ মিনিটের মধ্যে বিষক্রিয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়। দংশনের পর দ্রুত অ্যান্টিভেনম দেওয়া হলে রোগী সুস্থ হয়ে যায়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে ডলার সংকট নেই : গভর্নর 

মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসির সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

দক্ষিণ সিরিয়ার গ্রামে ইসরায়েলি অভিযানে নিহত ১৩

ভাসমান সেতু নির্মাণ করে হাজারো মানুষের ভোগান্তি দূর করল যুবদল

খালেদা জিয়াকে নিয়ে যা বললেন তামিম

বিপিএলে ফিক্সিংয়ে বড় শাস্তি পাচ্ছেন ৮ ক্রিকেটার

মেয়েদের ইমপ্রেস করতে গিয়ে ছেলেরা যে ভুলগুলো করে

ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তপশিল ঘোষণা : সিইসি

তৃতীয়বার বড়পর্দায় শুভ–মিম জুটি

বিদেশে পড়ার স্বপ্নপূরণে যা করতে হবে এখনই

১০

ইজতেমায় বাঁধভাঙা স্রোত

১১

হঠাৎ ফটিকছড়িতে সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল

১২

কক্সবাজারে অধিনায়কসহ ৩ শতাধিক র‍্যাব সদস্যকে একযোগে বদলি

১৩

সকালের একটি মাত্র ছোট অভ্যাসেই কমবে মানসিক চাপ

১৪

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

১৫

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ক্রিকেটারের তিন বছর জেল

১৬

ইনজুরি নিয়ে খেলে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স নেইমারের

১৭

ভূমিকম্পে ঢাকার কোন এলাকাগুলো তুলনামূলক নিরাপদ?

১৮

হৃৎস্পন্দন ঠিক রাখতে প্রতিদিনের মেনুতে রাখুন এই ৬ খাবার

১৯

এখন হোয়াটসঅ্যাপ দিয়েই টাকা পাঠান

২০
X