

প্রথমবারের মতো যশোরে জনসভায় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপশহর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া উদ্যানে আয়োজিত ঐতিহাসিক জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দলীয় প্রধানের আগমনকে ঘিরে যশোরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শুধু যশোর নয়, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকেও নেতাকর্মীদের ঢল নামছে।
তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে উপশহর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া উদ্যান এলাকায় প্রতিদিন ভিড় করছেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। মঞ্চ ও প্রস্তুতি দেখতে এসে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন তারা।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, এই জনসভায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির মাধ্যমে তারা বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রতি তাদের আবেগ, আস্থা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের যশোর সফরের পরপরই তারেক রহমানের এই সফর রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। আধুনিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারেক রহমান যশোরবাসীর জন্য কী বার্তা দেন, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল রয়েছে।
যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানান, সোমবার সকালে খুলনায় এক জনসভায় বক্তব্য শেষে তারেক রহমান হেলিকপ্টারযোগে যশোরে পৌঁছাবেন। দুপুর ১২টা থেকেই জনসভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। মঞ্চে ওঠার আগে বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, নড়াইল ও মাগুরা জেলার বিএনপির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। প্রায় দুই লাখ মানুষের জনসমাগমের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
যশোর যুবদলের সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা জানান, এই জনসভাকে স্মরণকালের সেরা জনসভায় পরিণত করতে সাংগঠনিকভাবে নিরলস কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে জেলা যুবদল ইতোমধ্যে বর্ণাঢ্য প্রচার মিছিল করেছে।
যশোর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি বলেন, রোববার ছাত্রদলের প্রতিটি ইউনিট স্বাগত মিছিল নিয়ে শহরজুড়ে কর্মসূচি পালন করবে।
নিরাপত্তা প্রসঙ্গে যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকায় পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। ইতোমধ্যে সাদা পোশাকে বিভিন্ন ইউনিট মাঠে দায়িত্ব পালন করছে।
মন্তব্য করুন