সবাই তখন গভীর ঘুমে মগ্ন। হঠাৎ ঘুম ভাঙে বিস্ফোরণের শব্দে। তারপর শরীরে আগুনের আঁচ। কিছু বুঝে উঠার আগেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। দগ্ধ হয় চার পরিবারের ১১ জন। চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার ‘হুজুরের বিল্ডিং’ নামের একটি ভবনে এমনই ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে এ দুর্ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভবনটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিদগ্ধরা হলেন- নাজির মিয়া, মো. রাসেল, মো. শামসুদ্দিন, মো. মুনসাত, মো. হোসাইন, মো. রিমন, মো. শাম্মি ও দিপালী। এদের মধ্যে রাসেলের ৪০ শতাংশ, রিমনের ৬৫ শতাংশ ও হোসাইনের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদের মধ্যে ৩ থেকে ৩৫ শতাংশ শরীর আগুনে ঝলসে গেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠে আশপাশের এলাকা। এ সময় ‘হুজুরের বিল্ডিং’ নামে পরিচিত ওই ভবনে আগুন লেগে যায়। বিস্ফোরণে বাড়ির জানালার গ্রিল ভেঙে পড়ে নিচে। ভবনটির একটি অংশেও ফাটল সৃষ্টি হয়। ওই ভবনে একাধিক পরিবার বসবাস করলেও বাসায় আচার তৈরি হতো বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
চান্দগাঁও থানার ওসি জাহিদুল কবির কালবেলাকে বলেন, গ্যাস লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন