নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৪, ০৩:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

লাইব্রেরিতে বই পড়লেই মিলে পুরস্কার

লাইব্রেরিতে সর্বাধিক উপস্থিত হয়ে বই পড়ায় নাসিরনগরের ১২ শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। ছবি : কালবেলা
লাইব্রেরিতে সর্বাধিক উপস্থিত হয়ে বই পড়ায় নাসিরনগরের ১২ শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। ছবি : কালবেলা

‘লাইব্রেরিতে এসে বই পড়লে মিলবে পুরস্কার’- এমন ঘোষণার পর বদলে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার একমাত্র পাবলিক লাইব্রেরির চিত্র। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা লাইব্রেরিতে এখন পাঠকের দেখা মিলছে। পুরস্কারের ঘোষণায় বই পড়ায় আগ্রহ বেড়েছে পাঠকদের। ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিমাসেই পুরস্কৃত করা হচ্ছে তাদের।

বুধবার (১৫ মে) বিকেলে এপ্রিল মাসে লাইব্রেরিতে সর্বাধিক উপস্থিত হয়ে বই পড়ায় পুরস্কৃত করা হয়েছে নাসিরনগরের ১২ শিক্ষার্থীকে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া শিক্ষার্থীদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।

পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বালিকা ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছেন সাদিয়া বুশরা, হাফসা বেগম, সুমাইয়া আফরিন, দ্বিতীয় হয়েছেন ইসরাত জাহান ও সৃষ্টি রায় এবং ৩য় হয়েছে সানিয়া আক্তার ও মহিমা রায়। বালক ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন পৃথিবী দাস সূর্য্য, ২য় স্নেহাল গোপ পান্না, সৌমক রায়, গগনদীপ কুন্ডু, ৩য় হয়েছেন শয়ন গোপ।

জানা যায়, আগে উপজেলার লাইব্রেরিতে আগে তেমন পাঠক ছিল না। জরাজীর্ণ ভবনে নানা রকমের বই থাকলেও পাঠক উপস্থিতি ছিল শূন্যের কোঠায়। পাঠক ফেরাতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত সপ্তাহব্যাপী অমর একুশে বই মেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘোষণা দিয়েছিলেন লাইব্রেরিতে সর্বাধিক উপস্থিত ব্যক্তি পাবেন পুরস্কার। সেই ঘোষণায় বেড়েছে নাসিরনগর পাবলিক লাইব্রেরিতে পাঠক উপস্থিতি।

এ উপলক্ষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মনিরুল হোসাইন, নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম, নাসিরনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার দাস, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শুভ সিদ্দিক, গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সুজিত কুমার চক্রবর্তী প্রমুখ।

এ সময় মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের অনেক উপজেলায় পাবলিক লাইব্রেরি নেই। এটি নাসিরনগরের সৌভাগ্য যে উপজেলায় একটি পাবলিক লাইব্রেরি আছে। আমি উপজেলায় যোগদানের পর লাইব্রেরি ভিজিট করতে গিয়ে দেখতে পাই প্রতিদিন পাঠক সংখ্যা খুবই কম। পরে ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজিত অমর একুশে বইমেলায় আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম পাবলিক লাইব্রেরিতে যারা সর্বাধিক দিন উপস্থিত থেকে সর্বোচ্চ বই পড়বেন, তারা আমার পক্ষ থেকে পুরস্কার পাবেন। পাশাপাশি লাইব্রেরিটি সংস্কার করা হচ্ছে। ঘোষণা অনুযায়ী এপ্রিল মাসে সর্বাধিক দিন উপস্থিত থেকে সর্বোচ্চ বইয়ের পাঠকদের আমরা পুরস্কৃত করেছি।

কালবেলা/এসওআর/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাবি দর্শন বিভাগ অ্যালামনাইয়ের বর্ষা উৎসব

জীবন বাঁচাতে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী তারকা ফুটবলার

ইসলামি দেশগুলোর এক নম্বর শত্রু ইসরায়েল: গালিবাফ

সাহাবুদ্দিনের যত আলোচিত বক্তব্য

যাকে রাষ্ট্রপতি চান আসিফ নজরুল

মিরসরাইয়ে পাচারের সময় দুই তক্ষকসহ গ্রেপ্তার ২

স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ করে বরাদ্দ দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ভারতে ভূমিধসে গাড়ি চাপা পড়ে নিহত ১৩

সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি আসিফ মাহমুদের

কবরস্থান থেকে রান্নাঘর সবখানেই পানি, দুর্ভোগে টুঙ্গিপাড়াবাসী

১০

সমালোচনার মুখে এবার কড়া জবাব দিলেন মেসির স্ত্রী

১১

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কোনো আপস চলবে না: ককরোচ পার্টি

১২

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

১৩

পাটের বাজার চড়া, কৃষকের মুখে হাসি

১৪

ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা পূজা উদযাপন পরিষদের

১৫

বিদায়ী রাষ্ট্রপতির মঙ্গল কামনা করলেন স্পিকার

১৬

পশ্চিম তীরে গাজা ধাঁচের অভিযান চালানোর আহ্বান বেন গভিরের

১৭

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্রের ভাষা নিয়ে শিশির মনিরের সন্দেহ

১৮

জটিল রোগে আক্রান্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, কী এই ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’?

১৯

ছেলেকে খাবার খাইয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শহিদুলের

২০
X