ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৩, ০৫:১৭ এএম
আপডেট : ২২ জুলাই ২০২৩, ০৫:২৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

স্বেচ্ছাশ্রমে দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ

স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক নিমার্ণ করছেন এলাকাবাসী। ছবি : কালবেলা
স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক নিমার্ণ করছেন এলাকাবাসী। ছবি : কালবেলা

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আরুয়া-সোনারগাও গ্রামে স্থানীয়দের উদ্যোগে দেড় কিলোমিটার সড়কে ইটের সলিংসহ নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২১ জুলাই) দুপুরে বৃষ্টির মধ্য প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে এ নির্মাণ কাজে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন । সরকারি কোনো বরাদ্দ না থাকায় স্থানীয়ভাবে অর্থ সংগ্রহ করে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, দুইশত বছরের পুরনো বড়ইয়া ইউনিয়নের এই আরুয়া-সোনারগাও গ্রাম। আরুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সোনারগাও একে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্য দিয়ে পশ্চিম দিকে কবিরাজ বাড়ি পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য আড়াই কিলোমিটার।

মাটির রাস্তা হলেও মানুষ চলাচল করার মতো অবস্থায় ছিল না। এলাকার মানুষের ভোগান্তি দেখে এগিয়ে আসেন জিয়া নামে স্থানীয় এক প্রবাসী।

প্রবাসী জিয়ার অর্থায়নে ও এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে ইটের সলিংসহ রাস্তার নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে এক কিলোমিটার পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

এলাকার বিত্তবান ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এবং স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে বাকি অংশটুকু পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি আলাউদ্দিন গাজী, মীর ফজলুর রহমান, যুবক ছবুর খান, দ্বীন ইসলাম জানান, দুটি স্কুলের মধ্য দিয়ে পশ্চিম দিকে রাস্তাটি চলাচলের উপযুক্ত ছিল না। শুনেছি দুই শত বছরের বেশি সময় ধরে মানুষ চলাচল করে।

প্রবাসী জিয়া জানান, এলাকার রাস্তাটি অনেক পুরনো। কিন্তু চলাচলে কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এলাকাবাসীর অনুরোধে তাদের সহযোগিতায় রাস্তাটি নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে প্রায় এক কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাড়ি পেল 'ভাল কাজের হোটেল'

এ বিষয়ে বড়ইয়া ইউনিয়নের আরুয়া এলাকার ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন জানান, ২শ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষ চলাচল করছে। সরকারি কোন বরাদ্দ না থাকায় রাস্তাটির কোন উন্নয়ন হয়নি। এলাকাবাসীর অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমের সহযোগিতায় নির্মাণ করা হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিক্ষোভে বিদেশি হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুংকার

দক্ষিণ কোরিয়ার ড্রোন ভূপাতিত, বিস্ফোরক দাবি প্রতিপক্ষের

ওমানে মাজার জিয়ারতে গিয়ে ৩ বাংলাদেশি নিহত

‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই’

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রতি দৃঢ় সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবন এখন মাদকসেবীদের আঁখড়া

যে কৌশলে বুঝবেন খেজুরের গুড় আসল নাকি নকল

তীব্র শীতে বেড়েছে পিঠার চাহিদা

হাইমচর সমিতির সভাপতি আজাদ, সম্পাদক মাহবুব

আমাকে ‘মাননীয়’ সম্বোধন করবেন না : সাংবাদিকদের তারেক রহমান

১০

বাইরের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন দেশ, কী হচ্ছে ইরানে

১১

আমরা ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরতে চাই না : তারেক রহমান 

১২

‘আমরা রাস্তা চাই না, জমি না থাকলে না খেয়ে মরতে হবে’

১৩

বিএনপির চেয়ারম্যান হওয়ায় তারেক রহমানকে ন্যাশনাল লেবার পার্টির অভিনন্দন 

১৪

তামিমকে এখনো ‘ভারতের দালাল’ দাবি করে নতুন করে যা জানালেন নাজমুল

১৫

ব্যাডমিন্টন খেলা নিয়ে ঝগড়ায় প্রাণ গেল মায়ের

১৬

অজয় দাশগুপ্তের ৬৭তম জন্মদিন

১৭

শোধনাগার বন্ধ, পানি সংকটে ৬০০ পরিবার

১৮

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে চায় তুরস্ক 

১৯

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শরীর বিরতি চাইছে

২০
X