নুরুল ফেরদৌস, কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:৩১ পিএম
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:৩২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঈদকে ঘিরে বেড়েছে দা-বঁটি-ছুরি-চাপাতির কদর

পাড়া-মহল্লায় বসেছে অস্থায়ী দোকান। ছবি : কালবেলা
পাড়া-মহল্লায় বসেছে অস্থায়ী দোকান। ছবি : কালবেলা

আর মাত্র দুদিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে লালমনিরহাট জেলা কালীগঞ্জ উপজেলা পশুর হাটগুলো। সেইসঙ্গে কোরবানির মাংস কাটার বিভিন্ন সরঞ্জামের কদর বেড়েছে।

তাই স্থায়ী কামারের দোকানের পাশাপাশি বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় বসেছে অস্থায়ী দোকান। দোকানগুলোতে অগ্রিম অর্ডার নেওয়া ছাড়াও বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে দা, বঁটি, ছুরি, চাকু, চাপাতিসহ বিভিন্ন ধরালো সরঞ্জাম।

শুক্রবার (১৪ জুন) কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটে খোলা আকাশের নিচে বিভিন্ন রকমের কামাররা দোকান সাজিয়েছে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ব্যস্ততা বাড়ছে। কামারের দোকানগুলোতে। প্রতি বছর কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি থাকে এ শিল্পের ব্যবসায়ীদের। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। প্রতিবারের মতো এবার মাংস কাটার সরঞ্জামাদি বেচা-বিক্রি নির্ভর করবে কোরবানির পশু বিক্রির ওপর। তাই ঈদের আগের রাতের অপেক্ষায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

পশু ব্যবসায়ী রিয়াজুল ইসলাম বলছেন, ঈদের শেষ দিন ও রাতে কোরবানির পশু বেশি কেনা-বেচা হয়। ফলে ওইদিন রাতেই দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি কিনতে ভিড় জমে। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে এক-দুই সপ্তাহে যে পরিমাণ বেচা-বিক্রি হয়, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বিক্রি হয় ঈদের আগের দিন রাতে।

চাপারহাটে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পশু জবাইয়ের ছুরি আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকায়। এ ছাড়া, চামড়া ছাড়ানোর ছুরি বিক্রি হচ্ছে আকার ভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। চাকু আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৬০ টাকায়। ভালো মানের বটি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৯০০ টাকায়। আর ওজন অনুযায়ী চাপাতি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে চাপারহাট বাজারে নুর নবী বসেছেন ধারালো সরঞ্জামের অস্থায়ী দোকানে। তিনি বলেন, ‘কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর এখানে অস্থায়ী দোকান বসাই। আমরা সারা বছর এ সময়ের জন্য অপেক্ষায় থাকি। ঈদের আগের এক সপ্তাহ ভালো বেচা-বিক্রি হয়। দামও ভালো পাওয়া যায়। তবে করোনার কারণে সারা বছর ভালো ব্যবসা হয়নি। তাই ঈদের আগের দিন ও রাতের অপেক্ষায় আছি।

অশিত কর্মকার বলেন, ‘ঈদে কোরবানির পশু যত বেশি বিক্রি হবে, তত বেশি আমাদের বেচা-বিক্রি হবে। প্রতি বছর এ ব্যবসায় অনেকটা কোরবানির পশু বিক্রির ওপর নির্ভরশীল।

গোড়ল এলাকায় চাপাতি ও ছুরি কিনতে কামারের দোকানে এসেছেন আলম মিয়া। তিনি বলেন, ‘এবার মাংস কাটা ও চামড়া ছড়ানোর সরঞ্জামের দাম অনেক বেশি। ঈদের কারণে বাধ্য হয়ে বেশি দামে সরঞ্জাম কিনতে হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপে হঠাৎ সুযোগের পর বড় সংকটে স্কটল্যান্ড

পাচারের সময় ২০০ বস্তা সার জব্দ করল স্থানীয়রা

বিএনপিতে যোগ দিলেন আ.লীগ নেতা

এনসিপির প্রার্থীসহ দুজনকে জরিমানা

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ / বিদায়ের পর আইসিসির দিকে বাংলাদেশের অভিযোগের তীর 

আফগান আদালতে অপরাধ নয়, শ্রেণি দেখে শাস্তি

শিশুর আত্মবিশ্বাস গড়তে প্রতিদিনের কথার গুরুত্ব

সিম কার্ডের এক কোনা কেন কাটা থাকে

ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ শিক্ষার্থী নিহত

তিতাসের নেতৃত্বে ঐশী-রিফতি

১০

ভারত থেকে এলো ৫১০ টন চাল

১১

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজে চাকরির সুযোগ

১২

বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী নিহত

১৩

মদ্যপ অবস্থায় সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার গ্রেপ্তার

১৪

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ৪ বছরে হতাহত ১৮ লক্ষাধিক সেনা

১৫

খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী বকুলকে শোকজ

১৬

হরমুজ প্রণালির আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করল ইরান

১৭

ইতালির ইমিগ্রেশন এবং নাগরিকত্ব ব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তন

১৮

বিএনপির আরও ৪ নেতাকে দুঃসংবাদ

১৯

মস্তিষ্ক ভালো রাখবে ফাইবার

২০
X