সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৪, ১০:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ভাঙন আতঙ্কে নদীতীরের মানুষ

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদী। ছবি : কালবেলা
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদী। ছবি : কালবেলা

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে রোববার (২৩ জুন) গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ২৮ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমলেও উপজেলার চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। চাষিরা তলিয়ে যাওয়ায় ভয়ে অপরিপক্ব পাট কাটছেন। এদিকে পানি কমায় ভাঙন আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন এলাকাবাসী।

উপজেলার যমুনা নদীর পানি গত কয়েকদিন ধরেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুক্রবার (২১ জুন) বিকেল ৩টায় সারিয়াকান্দি মথুরাপাড়া পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১৫ দশমিক ২৩ মিটার। পানির বিপৎসীমা রয়েছে ১৬ দশমিক ২৫ মিটার। শনিবার (২২ জুন) ছিল ১৫ দশমিক ২২ মিটার। আর রোববার ১৪ দশমিক ৯৪ সেন্টিমিটার।

গত কয়েক দিনের পানি বৃদ্ধির ফলে উপজেলার চালুয়াবাড়ী, কাজলা, কর্ণিবাড়ী এবং বোহাইল ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সদর ইউনিয়নের পারতিত পরল গ্রামের ডাকুরিয়া নদীর তলদেশে সদ্য বেড়ে ওঠা অপরিপক্ব পাট কাটছেন চাষিরা। যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি হওয়ায় উপজেলার চালুয়াবাড়ী ইউনিয়নের শিমুলতাইড় গ্রামের এলাকাবাসী ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ইউনিয়নের মানিকদাইড় গ্রামের উত্তর পাশে জামালপুর মাদারগঞ্জ সীমানায় যমুনা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এদিকে উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের চর ঘাগুয়া গ্রামের যেখানে বাম তীর সংরক্ষণের কাজ হচ্ছে তার উত্তর পাশের বেশকিছু এলাকাজুড়ে ধসের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা গ্রামেও যমুনা নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ড’র নদী ভাঙন রোধে কাজ চলমান। এদিকে বোহাইল ইউনিয়নের শংকরপুর চরে যমুনা নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেখানে কয়েকদিনের যমুনা নদীর ভাঙনে বেশকিছু কৃষিজমি ভেঙে গেছে।

কুতুবপুর ইউনিয়নের মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের বাড়ি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধের বাইরে হওয়ায় প্রতিবছর বন্যার সময় বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে যায়। গত কয়েকদিন ধরেই পানি বাড়তে থাকায় আমরা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতি.) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগামী ২ দিন পর্যন্ত পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর উজানে যদি আরও ভারি বৃষ্টিপাত হয় তাহলে পানিবৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকবে। উপজেলার যেখানেই নদী ভাঙনের খবর পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই ভাঙন রোধে কাজ করা হচ্ছে। তাই নদী ভাঙনের জন্য আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হালান্ডের তাণ্ডবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ঘণ্টা বাজল ব্রাজিলের

হালান্ডের জোড়া গোলে বিদায়ের অপেক্ষায় ব্রাজিল

হালান্ডের গোলে এগিয়ে গেল নরওয়ে

বিশ্বকাপে ৪০ বছর পর যে ‘লজ্জার’ স্বাক্ষী হলো ব্রাজিল

অবশেষে মাঠে নামলেন নেইমার

ব্যাংক থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইয়ের শিকার নারী

লাল কার্ড দেখেও খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার, স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচ জিতে শেষ আটে যাবে কে, জানাল অপটা

পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারল না ব্রাজিল

ফেসবুক পোস্টে যুবদল সভাপতির বার্তা

১০

এটাই শেষ বিশ্বকাপ, রোনালদোর ঘোষণা

১১

বিজিবিএ’র ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৬৬ স্থায়ী কমিটি গঠন

১২

নরওয়ের বিপক্ষে একাদশ ঘোষণা ব্রাজিলের

১৩

একযোগে ৩৮ বিচারককে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি

১৪

জামায়াতের দুই রুকন বহিষ্কার

১৫

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার

১৬

২০ শিশুসহ ১০০ ফিলিস্তিনিকে চিকিৎসার জন্য আশ্রয় দিল স্পেন

১৭

সেন্টমার্টিনে ট্রলার চলাচল বন্ধ, অনিশ্চয়তায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা 

১৮

নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামছেন নেইমার?

১৯

পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই স্কুলছাত্রীর

২০
X