শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৪, ১০:১১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

বিচারক ছুটিতে, শিক্ষার্থী অরিত্রীর আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার রায় পেছাল

অরিত্রী অধিকারী। পুরোনো ছবি
অরিত্রী অধিকারী। পুরোনো ছবি

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলার রায় ঘোষণা আজ সোমবারও হচ্ছে না। ঢাকার ১২তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন ছুটিতে থাকায় পাঁচবারের মতো মামলাটির রায় ঘোষণা পিছিয়ে যাচ্ছে।

সোমবার (৩ জুন) সকালে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেন্স সহকারী হিমেল কালবেলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিচারক ছুটিতে থাকায় আজ রায় হচ্ছে না। তবে ভারপ্রাপ্ত বিচারক রায়ের নতুন তারিখ নির্ধারণ করবেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন- ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও শাখা প্রধান জিনাত আক্তার।

এর আগে গত বছরের ২৭ নভেম্বর একই আদালত রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে এ মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ৮ ফেব্রুয়ারি, ৩ মার্চ ও ৯ এপ্রিল এ মামলাটির রায় ঘোষণা হয়নি।

২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় তার বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ২০ মার্চ এ দুই শিক্ষককে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার। আসামিদের নির্দয় ব্যবহারে অরিত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচিত হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়।

একই বছরের ১০ জুলাই এ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এ মামলার বিচার চলাকালীন ১৮ জনের মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষা চলাকালে অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। মোবাইল ফোনে নকল করেছে— এমন অভিযোগে অরিত্রীর মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। দিলীপ অধিকারী তার স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে শান্তিনগরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফাইনাল বিশ্বের সবচেয়ে দামী

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার নতুন সভাপতি সাঈদ-সম্পাদক জসিম

জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে রাজনীতি নয়: ডা. জাহিদ

ভাড়া বাসা থেকে নারীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

যমুনার পানি বৃদ্ধি: আমনের বীজতলা তলিয়ে বিপাকে কৃষক

আই হ্যাভ এ প্ল্যান: লেবারের নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম

বগুড়ায় পরীক্ষা শুরুর ২২ মিনিট পর প্রশ্ন বিতরণ, এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

কারাগারের দেয়াল টপকে পালালেন আসামি

শিশুর পা মুচড়ে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত সেই চাচি গ্রেপ্তার

সুব্রত বাইনের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ বাপ্পি গ্রেপ্তার

১০

আইনমন্ত্রীর পরিচয়ে প্রতারণা করতেন আতিয়ার

১১

ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে পা পিছলে পর্যটকের মৃত্যু

১২

মিটফোর্ড বিতর্কের কয়েক সপ্তাহ পর স্ত্রী-নবজাতককে হারালেন জবি ছাত্রদল নেতা 

১৩

কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ আঘাত হানল টর্নেডো

১৪

কোন জার্সি পরে ফাইনালে খেলবে আর্জেন্টিনা?

১৫

টিউবওয়েলের পানি পান করে একজনের মৃত্যু, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত অর্ধশতাধিক 

১৬

ভিআইপি গ্যালারিতে থাকছেন ট্রাম্প, আর্জেন্টিনা-স্পেনের প্রধানরা থাকছেন কি?

১৭

তাবিজের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

১৮

রেলওয়ের আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন ডিএসএ সদর

১৯

যেভাবে ফাইনালের ভেন্যুতে নেওয়া হবে বিশ্বকাপ ট্রফি

২০
X