খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) রসায়ন ডিসিপ্লিনের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রাকিব। ক্যাম্পাসের নানামুখী কর্মকাণ্ডে সরব রাকিব এখন অনেকটাই নীরব। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার দুটি কিডনিই বিকল হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় কিডনি প্রতিস্থাপনে প্রায় ২০ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু অর্থাভাবে তার চিকিৎসা এখন থমকে আছে।
রাকিবের গ্রামের বাড়ি বরগুনায়। বাবা একজন স্কুলশিক্ষক। ২০১৭ সালে তার বড় ভাইয়েরও কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করাতে হয়েছিল। পরপর দুই ভাইয়ের কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবারটা প্রায় নিঃস্ব। চিকিৎসার খরচ জোগাতে পারলেই বাবার কিডনিতে সেরে উঠবে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাকিব। তাই তার পরিবার ও তার সহপাঠীরা বিত্তশালীদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন।
মহিউদ্দিন রাকিব বলেন, ২২ জুলাই আমি সর্বশেষ চেকআপ করিয়েছি। তার আগে পর্যন্ত যেটুকু আশা ছিল এখন তাও আর নেই। পরিবার থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করব। আমার ক্রিয়েটিনিন যেহেতু অনেক বেড়ে গেছে তাই এর মধ্যে হয়তো কিছুদিন ডায়ালাইসিস করতে হবে। যেহেতু আমার অসুস্থতা কল্পনার চেয়েও দ্রুত বেড়েছে তাই তখনো আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেছিলাম না, এবং পরিবাবেরে সবাই তখনও জানত না। তাই সবাইকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। এখন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ট্রান্সপ্ল্যান্টের দিকেই আগাতে হবে।
রাকিবের সহপাঠী শওকত রায়হান (সবুজ) বলেন, আমাদের বন্ধু রাকিব ব্যক্তিগতভাবে খুবই বিনয়ী এবং সবার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করে। ওর এখন দুটি কিডনিই বিকল হয়ে আছে। প্রতিস্থাপনের জন্য ২০-২২ লাখ টাকা ওর পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা সবাই মিলে যদি এগিয়ে আসি তাহলে হয়ত রাকিব আবার সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। সবার কাছে অনুরোধ যায় যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসুন।
রাকিবকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ (ব্যক্তিগত): ০১৮৬৭৭৭৭৯৮৯ (সবুজ), ০১৭৯২১৮১১০২ (আরিফ)
নগদ (ব্যক্তিগত): ০১৬২৫৯৫৪৫০৩(মেরাজ), ০১৮২৫৮৬০৬১৪ (দেবাশীষ)
রকেট (ব্যক্তিগত) ০১৬২৫৯৫৪৫০৩২ (মেরাজ) ০১৫১৭৮৪৮৮৩৮৬ (দেবাশীষ)
এ ছাড়াও যে কোনো তথ্যের জন্য খুবির রসায়ন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. জামিল আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ (০১৭১৬-৬০২০০২) করার জন্য অনুরোধ করেছেন রাকিবের সহপাঠীরা।
মন্তব্য করুন