আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে অনবরত মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।
আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে তাদের সম্পর্কে অনলাইনে প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। এমনকি আমাদের এক প্রার্থীর ফেসবুক আইডি হ্যাক করে অপপ্রচার ছড়ানো হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানলেও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বরং গ্রুপ ব্যান করার নির্দেশ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্টরা নতুন নামে গ্রুপ চালু করছে। এতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কোনো অভিযোগের পথে যেতে চাই না। একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই। আমরা যদি কোনো ভুল করি, সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রস্তুত।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে আধুনিক ল্যাব ও যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত হতে পারছে না। একইভাবে মিডিয়া ও ফটোগ্রাফি বিভাগে শিক্ষার্থীদের নিজেদের টুলস কিনতে হয়, যা বাস্তবমুখী শিক্ষার পথে বাধা।’
তিনি জানান, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে প্রচারণা শেষে জানতে পেরেছেন, একটি ছাত্রসংগঠনের মনোনীত প্যানেল বই, কলম ও চকলেট বিতরণ করেছে। তার মতে, এটি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী মাঠে অসম প্রতিযোগিতার যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে তা দ্রুত সমাধান করতে হবে। আমরা ভোটের পক্ষে আছি এবং ডাকসু নির্বাচনকে উৎসবমুখর পরিবেশে দেখতে চাই।’
তিনি অঙ্গীকার করেন, নির্বাচিত হলে প্রতিটি বিভাগে বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেবেন।
মন্তব্য করুন