কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৫, ১০:৩৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ফিডিং কর্মসূচি’ শিগগিরই শুরু

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ৮টি বিভাগের ৬২টি জেলার নির্বাচিত ১৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের জন্য শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হালনাগাদ ও নির্ভুল তথ্য চেয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

রোববার (২২ জুন) প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নের আওতায় থাকা সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ছকে তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত জমা দিতে হবে। তথ্য পাঠানোর সময়সীমা : ৩০ জুন

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের (কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা ব্যতীত) জরুরি ভিত্তিতে হালনাগাদ তথ্য প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ও কর্মকর্তাদের তথ্যসংবলিত ছক পূরণ করে ইমেইলে ([email protected]) পিডিএফ কপি ও সফট কপি (এমএস এক্সেল ফরমেটে, নিকোশবেন ফন্টে) এবং এর হার্ড কপি পাঠাতে হবে।

১৫০টি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। দেশের ৮টি বিভাগের ৬২টি জেলার ১৫০টি উপজেলাকে এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। তবে ভৌগোলিক ও অন্যান্য বিবেচনায় কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা এই প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকছে।

এই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব কর্মকর্তাকে দায়িত্বশীলভাবে তথ্য প্রেরণের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক, উপপ্রকল্প পরিচালক এবং সহকারী প্রকল্প পরিচালক নিয়মিতভাবে তথ্য প্রেরণের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

উল্লেখ্য, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় একটি যুগান্তকারী সামাজিক উদ্যোগ। এর মূল লক্ষ্য হলো বিদ্যালয়ে শিশুদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং তাদের শিক্ষায় মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করা। এই কর্মসূচির আওতায় নির্দিষ্ট স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হবে, যা বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিশুদের অপুষ্টির ঝুঁকি কমাতে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, এটি অভিভাবকদের মধ্যে বিদ্যালয়ে সন্তান পাঠানোর আগ্রহকেও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যে বিশ্বকাপ বদলে দিয়েছিল ‘অনেক কিছু’

‘ফেভারিট নয়, তবে বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার পর্তুগাল’

সৌদিতে প্রাণ গেল প্রবাসী ফল ব্যবসায়ীর

চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার : ডা. ডোনার

আর কোনো যুদ্ধ চান না ট্রাম্প, নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা

প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ্যে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে চসিক মেয়রের উদ্যোগ

বাড়ি ফেরার পথে রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা

ওলিসের হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত ফ্রান্স, জয়ে শেষ হলো বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

১০

ইতিহাসের এই দিনে

১১

আজকের নামাজের সময়সূচি

১২

ইরানে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাবে ইসরায়েল : ট্রাম্প

১৩

যশোরে আ.লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

১৪

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার পদত্যাগ

১৫

নিখোঁজের ৪ দিন পর প্রবাসীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

১৬

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

১৭

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

১৮

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

১৯

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

২০
X