কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ভারী খাবারের পর মিষ্টি নাকি টক দই ভালো

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বাঙালির খাবারের টেবিলে দই মানেই বাড়তি আনন্দ। ভাত, মাছ বা মাংসের ভারী খাবারের পর এক বাটি ঠান্ডা দই না হলে অনেকেরই খাবার অসম্পূর্ণ লাগে। বিয়েবাড়ির দাওয়াতে শেষ পাতে মিষ্টি দই থাকাটা যেন অলিখিত নিয়ম। ঈদ, দাওয়াত বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে মিষ্টি দইয়ের জনপ্রিয়তা আরও বেশি।

অনেকের ধারণা, ভারী খাবারের পর দই খেলে হজম ভালো হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে দই আমরা খাচ্ছি, সেটা কি সত্যিই শরীরের জন্য উপকারী? পুষ্টিবিদদের মতে, দই অবশ্যই ভালো খাবার। তবে মিষ্টি দই আর টক দই এক নয়। খাবারের পর কোন দই খাচ্ছেন, সেটাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

খাবারের পর কোন দই বেশি উপকারী

এ বিষয়ে ঢাকার লাইফ কেয়ার মেডিকেল সেন্টার এবং বিডিএন পল্লবী ডায়াবেটিস সেন্টারের ডায়েটিশিয়ান ইসরাত জাহান ডরিন বলেন, আমাদের অনেকেরই ধারণা খাবারের পর দই খেলেই হজম ঠিক হয়ে যাবে। তাই বেশিরভাগ মানুষ মিষ্টি দই খেয়ে থাকেন, বিশেষ করে বিয়েবাড়ির মতো আয়োজনে। কিন্তু ভারী খাবারের পর মিষ্টি দই খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয়। এই সময় টক দই খাওয়াই বেশি উপকারী।

তিনি জানান, দই তৈরিতে যে ভালো ব্যাকটেরিয়া কাজ করে, তার মধ্যে ল্যাকটোব্যাসিলাস আমাদের অন্ত্রে প্রাকৃতিকভাবেই থাকে। এই ব্যাকটেরিয়া হজমে সাহায্য করে এবং প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। টক দইয়ে এই ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় অবস্থায় থাকে, ফলে তা খাবার হজমে সহায়তা করে।

অন্যদিকে মিষ্টি দই তৈরির সময় চিনি যোগ করার কারণে এবং প্রক্রিয়াজাত হওয়ার ফলে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া অনেক সময় নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে মিষ্টি দই হজমে তেমন সাহায্য করতে পারে না।

এ ছাড়া মিষ্টি দইয়ে অতিরিক্ত চিনি ও ফ্যাট থাকে, যা নিয়মিত খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করে। ডায়াবেটিস বা ওজন সমস্যায় ভোগা মানুষের জন্য এটি আরও ক্ষতিকর হতে পারে।

কেন টক দই বেছে নেওয়া ভালো

- টক দই হজমে সাহায্য করে

- আন্ত্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে

- ওজন বাড়ার ঝুঁকি কম

- গ্যাস ও অস্বস্তি কমাতে সহায়ক

সব মিলিয়ে বলা যায়, খাবারের পর দই খাওয়ার অভ্যাস খারাপ নয়। তবে সুস্থ থাকতে চাইলে মিষ্টি দইয়ের বদলে টক দই বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে হজম ভালো হবে, শরীরও থাকবে সুস্থ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায়

ডিজিটাল মাধ্যমেও নারী-শিশুরা নিরাপদ নয় : নিপুণ রায় 

আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, আটক ৫

ময়লাবাহী ট্রাকচাপায় যুবদল ও ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

সরকার অনিয়মের নির্বাচন করলে মুখ থুবড়ে পড়বে : জাতীয় পার্টির মহাসচিব

সোলার এনার্জিতে উজ্জ্বল পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া, কমছে বিপুল বিদ্যুৎ বিল

আর্মি স্টেডিয়ামে কূটনৈতিক কোর ও বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের প্রীতি ম্যাচ

প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা : অধ্যাপক ডোনার

যে জয়ের কথা স্মরণ করলেন মাশরাফি

শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যা 

১০

প্রথমবারের মতো উদ্ধার অভিযানে স্পিডবোট ড্রোন ব্যবহার করল যুক্তরাষ্ট্র

১১

লোকসংগীত শিল্পী সোহাগের রয়্যালটির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

১২

ঢাকা শহরে স্মার্ট পোস্ট বক্স বসাবে সরকার

১৩

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে 

১৪

আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ : ছাত্রলীগের ৮৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

১৫

অংশীজনদের নিয়ে আইসিএবি জনস্বার্থ ফোরামের যাত্রা শুরু

১৬

অজিদের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ে জিতলো বাংলাদেশ

১৭

বিচারককে হাইকোর্টে তলব / হবিগঞ্জে ৫ বছরেও শেষ হয়নি ‘ধর্ষণ ও হত্যা’ মামলার বিচার

১৮

নকল ও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অপ্রতুল : বিএসটিআইকে ক্যাব

১৯

ইরান ও হুথিদের পদক্ষেপের প্রশংসায় হিজবুল্লাহ

২০
X