কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:১৯ পিএম
আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইজতেমা মাঠে হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা খেলাফত মজলিসের

ইজতেমা মাঠে হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা খেলাফত মজলিসের
খেলাফত মজলিসের লোগো। ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে অবস্থানরত মুসল্লিদের ওপর হামলা ও হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে খেলাফত মজলিস।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে অবস্থানরত মুসল্লিদের ওপর গভীর রাতে প্রতিপক্ষের হামলায় তাবলিগ জামায়াতের ৩ জন সদস্য নিহত ও বহু হতাহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে খেলাফত মজলিস।

বিবৃতিতে তারা বলেন, শুরু থেকেই ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে তাবলিগ জামায়াত বিশ্বব্যাপী ইসলামের দাওয়াত ও তালিমের কাজ আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে। অসংখ্য অমুসলিমের ইসলাম গ্রহণ এবং সাধারণ মুসলমানের ইসলামের প্রতি অনুরাগী হওয়ার ক্ষেত্রে এই জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তারা আরও বলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে এই দাওয়াতি সংগঠনের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গতকাল গভীর রাতে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে হামলায় ৩ জনের মৃত্যু ঘটে এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ভারতের দিল্লি মার্কাজের আমির মাওলানা সাদের বাংলাদেশি প্রায় ৪০ হাজার অনুসারী গতকাল রাতে টঙ্গীর ইজতেমা মার্কাজ দখল করতে গিয়ে এই ঘটনার সূত্রপাত বলে নির্ভরযোগ্য মিডিয়া থেকে জানা যায়। এতে বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরামের শুরায়ি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মার্কাজের সাথীরা হতাহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। মাঠে উপস্থিত মুসল্লিদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনিক ব্যর্থতার নিন্দা জানাচ্ছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হামলা ও হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এই ঘটনার সাথে পতিত স্বৈরাচারের কোনো ইন্ধন আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং ঘটনার ইন্ধনদাতাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। বিবাদমান দুটি গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। এই ধরনের দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব-সংঘাত মুসলমানদের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। এতে দেশ ও ইসলাম বিরোধীদের শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া আপাতত কোনো লাভ নেই। সাধারণ মুসলমানের কাছে সামাজিক ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাওয়াতে তাবলিগের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হবে। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষ নিরসনে আত্মোপলব্ধি জাগ্রত হোক। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এসএসসি বিরাশিয়ান বন্ধুদের উদ্যোগে ৮২টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

২০টির বেশি প্রতিষ্ঠান নিয়ে নারীদের জন্য জব ফেয়ার

মেসিকে কেন ছাড়? ক্ষুব্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?

ওপিসিডব্লিউ’র পরিদর্শক দল কর্তৃক ৩ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন 

ঢাকা থেকে যুবলীগ নেতা আটক 

দাবি রাশেদ খাঁনের / জামায়াতের নেতারা বিনা জামানতে কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়

গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা

সংসদে ‘কাঁচা রাস্তা’ বলার ব্যাখ্যা দিলেন জেবা আমিন

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বাতিল 

১০

নারী বাদিকে দেখেই ওসির মন্তব্যে ‘আপনি সেই মাল’

১১

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১২

এআই ডিপফেকের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে প্রীতি জিন্টা

১৩

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

১৪

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই

১৫

স্টেডিয়ামের পরিছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়ালেন তামিম

১৬

দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা

১৭

‘এত ঋণখেলাপি থাকলে তো জনগণ ঋণখেলাপিদের সংসদ বলবে’

১৮

যেসব দেশে আটকে আছে ইরানের ১০০ বিলিয়ন ডলার

১৯

নতুনদের বরণে এমআইএসটি-তে উদযাপিত হলো ′ফ্রেশার্স ডে - ২০২৬′

২০
X