শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:৫৭ পিএম
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:৪৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শহীদ-আহতদের স্বীকৃতি দিতে অনেকেরই দ্বিধা রয়েছে: শিবির সভাপতি

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

শহীদদের ত্যাগ এবং আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের আত্মত্যাগকে যথাযথ স্বীকৃতি দিতে অনেকেরই দ্বিধা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, যে আন্দোলনে মা তার সন্তানকে শহীদ করার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, সেই চেতনা আজ অনেকেই ধারণ করতে পারছে না। বিপ্লব-উত্তর এই বাস্তবতায় সেই আত্মত্যাগের স্পিরিটকে ধরে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘ফ্রেমেবন্দি ৩৬ জুলাই: অভ্যুত্থানের পূর্বাপর’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী ফ্যাসিবাদবিরোধী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রদর্শনীটি ৭ ও ৮ ডিসেম্বর বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, শান্তদের আত্মত্যাগে সূচনা হয়েছিল চব্বিশের ফ্যাসিবাদকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার সংগ্রামের। চব্বিশের আন্দোলন ছিল দলমত-নির্বিশেষে ছাত্রজনতার এক অভূতপূর্ব বিপ্লব, যেখানে কোনো একক দলের নয়, বরং পুরো জাতির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিজয় অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, একটি অপশক্তি সেই বিপ্লবকে প্রতিবিপ্লবে পরিণত করার চক্রান্তে লিপ্ত।

দুই দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন ঘোষণা করে মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত আমাদের এই উপমহাদেশে, বিশেষ করে বাংলায়, সাহিত্য-সংস্কৃতির চর্চা এবং দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা ছিল ব্রিটিশসহ একটি আদিপত্যবাদী শক্তি। তারা এখনো আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের নীলনকশা করেই যাচ্ছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের আগে মিডিয়ার স্বাধীনতা বলতে কিছুই ছিল না উল্লেখ করে শিবির সভাপতি বলেন, মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা ছিল রুদ্ধ। মতপ্রকাশের অধিকার থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল। যখন আমরা, বিশেষ করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তি তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, তখনই জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছি।

এ সময় তিনি ৩৬ জুলাইয়ের স্পিরিট ধরে রাখার জন্য সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে চব্বিশের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণা করে বক্তব্য দেন শহীদ আদিলের বাবা আবুল কালাম, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হেলাল উদ্দিন এবং আন্দোলন চলাকালীন গ্রেপ্তার হওয়া আলোচিত হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি প্রার্থী

বগুড়ার জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

বিটিভিতে শুরু হচ্ছে বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান অভিনন্দন

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ / ‘শঙ্কিত’ সংখ্যালঘুরা ভোটদানে নিরুৎসাহিত হতে পারেন

প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হাউজিং লিমিটেডের আবাসন প্রকল্প ‘আশুলিয়া আরবান সিটি’র শুভ উদ্বোধন

সড়কে ঝরল বিএনপি নেতার প্রাণ

অতীত ভুলে শরীয়তপুরকে আধুনিক জেলা গড়ার অঙ্গীকার নুরুদ্দিন অপুর

মেন্টরশিপ, তৃণমূল সংযোগ ও পারিবারিক বাধা : চ্যালেঞ্জের মুখে নারীর রাজনীতি

শিশির মনিরের প্রচার গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

দলের ক্ষুদ্র স্বার্থে উত্তেজনা সৃষ্টি করা উচিত নয় : রবিউল

১০

চট্টগ্রামে বর্জ্য সংগ্রহে ধীরগতি, ক্ষেপলেন মেয়র

১১

সিলেটে সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার

১২

৩ শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা পেলেন কোয়ান্টামের সম্মাননা

১৩

বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাজ্য

১৪

শুটিং দলকে ভারত পাঠানোর ব্যাখাসহ সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়ে যা জানা গেল

১৫

অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, শূন্যপদ ১৩৫৯৯

১৬

তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নতুন তারিখ ঘোষণা

১৭

একুশে বইমেলা পেছানোর প্রতিবাদে প্রতীকী মেলা হবে যেদিন

১৮

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যতিক্রমী প্রচারণা, নজর কাড়ছে ‘জোকার’

১৯

এই আলো কি সেই মেয়েটিই

২০
X