কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে মির্জা ফখরুলের বাণী

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘ ঘোষিত ‘মানবাধিকার দিবস’ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবসে আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মৌলিক মানবিক অধিকারহারা নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা। ক্ষমতাসীনরা বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করাসহ সীমাহীন রক্তপাত ও বেপরোয়া নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্য দিয়ে জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করে নিয়েছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার মানবাধিকারের পরিপূরক।

আওয়ামী শাসনামলে শুধু বিরোধী দলের নেতাকর্মীরাই নন, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ কারোরই কোনো নিরাপত্তা ছিল না। এদের অধিকাংশই গুম, গুপ্ত হত্যা এবং বিচার-বহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে গত ১৬ অথবা ১৭ বছরে চরম কর্তৃত্ববাদী দুঃশাসন কায়েম করেছিল।

গণতন্ত্রের জন্য যিনি বারবার আপোষহীন লড়াই চালিয়ে গেছেন- সেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সব মানবাধিকার কেড়ে নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সাজা দিয়ে তাকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন মুক্ত।

‘মানবাধিকার দিবস’-এর এ বছরের মূল থিম হচ্ছে- ‘আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই’।এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মৌলিক অধিকার হারানো নির্যাতিত মানুষের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে, বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কোথাও যেন ভবিষ্যতে আর কেউ মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

যুগে যুগে তরুণরাই সমাজের অসংগতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আজও মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই মানবাধিকারের পক্ষে তরুণদের সাহসের সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় মানুষের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতাসহ গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবসে এই হোক আমাদের দৃঢ় সংকল্প।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আ.লীগ নেতা এখন জামায়াত ইসলামীর ওয়ার্ড আমির

অবশেষে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন মার্টিন

ঢাকার বাতাস আজ খুবই অস্বাস্থ্যকর

বাংলাদেশের দেয়া চিঠির জবাব কবে দিচ্ছে আইসিসি, জানাল বিসিবি

বাসায় ডেকে নবম শ্রেণির ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

বাংলাদেশ ইস্যুতে আজ ভারত-আইসিসির বৈঠক, আলোচনা হবে যেসব বিষয়

তীব্র শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া, তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির ঘরে

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

কেমন থাকবে আজকের ঢাকার তাপমাত্রা

ভেনেজুয়েলার মতো কৌশল কি ইরানের ক্ষেত্রেও খাটাবে যুক্তরাষ্ট্র?

১০

আমি নেতা হতে চাই না, আপনাদের সেবক হতে চাই : সেলিমুজ্জামান

১১

১১ জানুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

১২

জনগণকে সরকারের পক্ষে নামার আহ্বান ইরানি কর্তৃপক্ষের

১৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রদলে যোগ দিলেন গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শতাধিক শিক্ষার্থী

১৪

জনগণের সঙ্গে ‘গভীর বিশ্বাসঘাতকতা’ করছে ইরান : ওয়াশিংটন

১৫

সাংবাদিকের বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ 

১৬

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

১৭

২০৩৯ সালে বিরল যে ঘটনার সাক্ষী হতে পারে মুসলিম বিশ্ব

১৮

সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় হামলা

১৯

ইরানে বিক্ষোভ দমনে ছোড়া হচ্ছে তাজা গুলি, হাজারেরও বেশি নিহতের শঙ্কা

২০
X